Uncategorized

পশ্চিমবঙ্গে কোরবানি ঈদের আগে পশু জবাই নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি

পশ্চিমবঙ্গে কোরবানি ঈদের আগে পশু জবাই নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি পশ চ মবঙ গ ক রব ন - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ঈদ উল আজহার পরে পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে কড়াকড়ি

Desk Uncategorized
Published May 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পশ্চিমবঙ্গে কোরবানি ঈদের আগে পশু জবাই নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি

পশ চ মবঙ গ ক রব ন – পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ঈদ উল আজহার পরে পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে কড়াকড়ি তৈরি করেছে। এ বিষয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তর গতকাল বুধবার (১৩ মে) এক জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০ এবং কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ নির্দেশনা অনুসারে বিধানগুলো প্রয়োগ করা হবে।

পশু জবাই করার আগে সনদ জরুরি

নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে ষাঁঢ়, বলদ, গরু, বাছুর এবং পুরুষ ও স্ত্রী মহিষ জবাই করতে হলে আগে জবাই উপযোগী সনদ প্রয়োজন। পশুর বয়স ১৪ বছরের বেশি হলে বা বিকৃতি, দুরারোগ্য রোগ বা আঘাতের কারণে এটি স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে সরকারি ভেটেরিনারি সার্জন এবং পৌরসভার চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি যৌথভাবে সনদ প্রদান করতে পারেন।

নিয়মের অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে আপিল করতে পারেন। অনুমোদিত পশু শুধুমাত্র পৌর কসাইখানা বা স্থানীয় প্রশাসন নির্ধারিত স্থানে জবাই করা যাবে। কোনো উন্মুক্ত জনসমাগমস্থলে এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আইন বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের পরিদর্শনে বাধা দেওয়া হবে না। বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, এক হাজার রুপি জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। এছাড়া এ আইনের আওতাধীন সব অপরাধ আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে, অর্থাৎ পুলিশ সরাসরি মামলা নিতে পারবে।

রাজ্য সরকার জানিয়েছে যে এ বিষয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এবং কলকাতা হাইকোর্টের বিভিন্ন রায় সরকারি ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

Leave a Comment