Uncategorized

এগিয়ে থাকবে বেলজিয়াম, নকআউটের লড়াইটা মিশর ও ইরানের

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ-জি: প্রতিযোগিতার গোলাপি চালনা এগ য় থ কব ব লজ য় - ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কোর্স শুরু হয়েছে। এই বিশাল আসরে প্রতিটি গ্রুপের বিন্যাস

Desk Uncategorized
Published June 11, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ-জি: প্রতিযোগিতার গোলাপি চালনা

এগ য় থ কব ব লজ য় – ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কোর্স শুরু হয়েছে। এই বিশাল আসরে প্রতিটি গ্রুপের বিন্যাস এখনও টানটান রয়েছে। গ্রুপ-জি বিশেষ করে মহাদেশগুলির প্রতিনিধি নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম, মিশর এবং ইরানের উপস্থিতির কারণে বিশেষ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

গ্রুপ-জি এর নেতৃত্ব বেলজিয়ামের

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে বেলজিয়াম এই গ্রুপে সবার চেয়ে উন্নত অবস্থানে রয়েছে। তারা ৯ নম্বরে অবস্থিত। ইরান র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০ নম্বরে থাকলেও মিশর গ্রুপে সর্বনিম্ন পয়েন্টে পৌঁছেছে। নিউজিল্যান্ড হল শেষ দল এবং তার র‌্যাঙ্কিং ৮৫তম।

বেলজিয়াম এই বিশ্বকাপে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগিতার সামনে আছে। ২০১৮ সালে তারা তৃতীয় স্থান অর্জন করেছিল, কিন্তু ২০২২ সালে তারা গ্রুপপর্বে বিদায় নেয়। এবারে তারা সেই হতাশা ভুলে চলুন দেখে নেওয়া যাক।

দলটি সামনে আছে দুটি সুপরাক্রমী খেলোয়াড় কেভিন ডি ব্রুইনা এবং রোমেলু লুকাকু। তাদের গোলবারের নিচে থিবো কোর্ত্তয়া যুক্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মাঠে এই দলটি তাদের প্রমাণের শেষ সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ইরানের প্রতিরোধ ও সম্ভাব্য সুযোগ

ইরান এই গ্রুপে সরাসরি টিকিট কেটে এসেছে। তারা ১৯৩৪ সালে প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল এবং এরপর কিছু দল দুর্দান্ত ফর্মে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এবারে তারা গ্রুপপর্বের গণ্ডি পেরুনো হলেও আশাবাদী আছে।

ফেব্রুয়ারি-মার্চ থেকে ইরান এর নিজের বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছড়ানো হয়েছিল। তবে তারা সেই প্রতিযোগিতায় সুযোগ নিয়েছে। তাদের এই বিশ্বকাপে চার বার খেলার সুযোগ হবে এবং তারা এটি এক বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে।

মিশরের ক্রমবর্ধমান সাফল্যের গুরুত্ব

মিশর এই গ্রুপে সেই দুর্দান্ত আক্রমণ শক্তি নিয়ে আসছে। তাদের শক্তির প্রাণ হল লিভারপুলের মোহাম্মেদ সালাহ। ম্যানচেস্টার সিটির ওমর মারমুশ তাদের সাথে খেলছে।

১৯৩৪ সালে মিশর নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে বিশ্বকাপে নিকটতম ত্রিশ দলের মধ্যে এই দলটি নিজেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কাছে নিয়েছে। তারা আক্রমণ বা প্রতি-আক্রমণ বিশেষ ফুটবল খেলছে এবং সেই ক্রমবর্ধমান দৃঢ়তা দেখাতে চাইবে।

নিউজিল্যান্ডের সম্ভাব্য স্বল্প আশাবাদ

নিউজিল্যান্ড ওশেনিয়া অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে এসেছে। এটি তাদের ৩য় বিশ্বকাপ আসর। তারা ১৯৮২ এবং ২০১০ সালে মূলপর্বে খেলেছিল। প্রতিযোগিতার মধ্যে পয়েন্ট ছিনিয়ে নিতে পারলে তাদের একটি বড় সাফল্য হবে।

Leave a Comment