Uncategorized

যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে ৫৯ হাজার ৭৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে ৫৯ হাজার ৭৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব বাজেটে আনুমানিক অর্থ বরাদ্দ কিভাবে খাতে বিভক্ত হয়েছে য গ য গ অবক ঠ ম - আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরে

Desk Uncategorized
Published June 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে ৫৯ হাজার ৭৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

বাজেটে আনুমানিক অর্থ বরাদ্দ কিভাবে খাতে বিভক্ত হয়েছে

য গ য গ অবক ঠ ম – আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে মোট ৫৯ হাজার ৭৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে। এ বরাদ্দ দ্বারা দেশের সড়ক, রেলপথ এবং সেতু খাতে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ পরিকল্পনার বিস্তার নিয়ে বাজেট বক্তৃতায় আলোচনা করেন। তিনি জানান, বর্তমান বাজেটে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে ৩৬ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৯ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা এবং সেতু বিভাগে ২ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে এ পরিমাণ বরাদ্দ দ্বারা দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা অক্ষুণ্ময় ও সুষ্ঠিত রাখার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করা হয়েছে।

বরাদ্দের মূল উদ্দেশ্য হল যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে সম্পূর্ণ সমৃদ্ধতা নিশ্চিত করা। সড়ক পরিবহন খাতে প্রধানত দীর্ঘ দিন ধরে অবহেলিত হওয়া রাজমার্গ ও স্থানীয় সড়ক সংস্কার করা হবে। এ বরাদ্দ দ্বারা নতুন সড়ক প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে যাতে পরিবহনের সময় কমে আসে। রেলপথ খাতে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে সময় সুনিশ্চিত করার জন্য এ পরিকল্পনা বাড়িয়ে তোলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অর্থ বরাদ্দ প্রাথমিক ভূমিকা পালন করছে সড়ক ও রেলপথ খাতে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি কর্মসূচির সাথে সম্পাদিত করার জন্য।

পরিকল্পনার ফলাফল ও ক্ষেত্রে সমাপ্তি

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখার জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও জানান, যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং তা বিকাশের দিকে এগিয়ে চলবে। নতুন প্রকল্পগুলি দ্বারা দেশের মানব ও মাল পরিবহন ব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হবে। যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে প্রতি বছর আরও বেশি পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হবে যাতে জনগনের জীবন সুবিধাজনক হয়।

বরাদ্দের মাধ্যমে নতুন সেতু নির্মাণ ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বাস্তবায়ন প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পগুলি এ বরাদ্দের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ভিত্তিক প্রকল্পগুলি ক্রমাগত গুরুত্ব প্রদান করা হবে। এ পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের পরিবহন গতিশীলতা বৃদ্ধি করা হবে এবং সড়ক পরিবহন খাতে আরও ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা হবে।

Leave a Comment