বিষধর সাপের দংশনে ১০ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু
ব ষধর স প র দ শন – বিষধর সাপের দংশনে পটুয়াখালি জেলার দশমিনা উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আদমপুর গ্রামে এক শিশু প্রাণ হারিয়েছে। ঘটনাটি গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটে। মারা যাওয়া শিশুটি আরিয়ন নামে পরিচিত, যার বাবা আরমান মিয়া। বিষধর সাপের দংশন এই জায়গায় ঘটার পর থেকে শিশুটি আর কথা বলতে পারেনি, এবং তার শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণের অপরাধ হয়ে যায়। এই ধরনের দংশন সাপ অপরাধ প্রতিদিন বাড়ছে এবং শিশুদের প্রতি অপরাধ দুর্দান্ত বাড়ছে। বিষধর সাপের দংশন বাড়িতে ঘটার সময় পিতামাতারা শিশুটির স্থিতি করে ফেলেন।
বিষধর সাপের দংশন কীভাবে ঘটেছিল
বিষধর সাপের দংশন ঘটার সময় আরিয়ন তার পিতামাতার পাশে ঘুমোচ্ছিল। এমন সময় ঘটনা ঘটে যখন বিষধর সাপ শিশুর পাশে বসে আছে। প্রতিবেশীদের সাহায্যে সাপটিকে ধরা হয়। কিন্তু দংশনের পর শিশুটির শ্বাস নিয়ন্ত্রণ বন্ধ হয়ে যায়। এই ধরনের দংশন একটি শিশুকে অর্ধেক বাড়ি সম্পূর্ণ প্রাণ হারিয়ে দেয়। বিষধর সাপের দংশন সাধারণত মারাত্মক বাড়ি গৃহ নিঃশব্দ ছাড়া বাড়িতে ঘটে। এই ঘটনার পর পিতামাতারা রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে ডাক্তারেরা শিশুটির মৃত্যু নিশ্চিত করেন। শিশুর হাতে বিষধর সাপের কামড়ের চিহ্ন নিশ্চিত হয়।
বিষধর সাপের দংশন ঘটার পর পিতামাতারা বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহার করে শিশুটিকে চিকিৎসা দেয়। কিন্তু সেই চিকিৎসা কিছুতেই শিশুটির অবস্থা উন্নত হয়নি। বিষধর সাপের দংশন ঘটার পর শিশুটি ঘুম থেকে উঠতে পারেনি। দিনের প্রথম পর্বে তার পিতামাতারা প্রতিবেশীদের সাহায্য নিয়ে সাপটিকে মেরে ফেলে। এরপর থেকে শিশুটির প্রতি সাপের প্রভাব বেড়ে যায়। কিন্তু তার চিকিৎসা বাড়িতে ঘটে না।
ডাক্তারের মন্তব্য এবং শিশুর অবস্থা
ডা. শওকত ওসমান জানান, আরিয়ন শিশুটিকে রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তখন তার মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করেন চিকিৎসক। আরিয়নের হাতে বিষধর সাপের কামড়ের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ডাক্তারেরা জানান যে বিষধর সাপের দংশন শিশুকে মৃত্যু ঘটাতে সক্ষম হয়। বিষাক্ত রাসায়নিক ব্যবহারের পর তার অবস্থা একটি মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়। বিষধর সাপের দংশন কারণে শিশুটির শ্বাস নিয়ন্ত্রণ
