প্রধানমন্ত্রী জুনের শেষে চীন সফরে যাচ্ছেন
জ ন র শ ষ প রধ – জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ঘোষণা করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুনের শেষ দিকে চীন সফরে যাবেন। গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত ৭ম চায়না-সাউথ এশিয়া কোঅপারেশন ফোরামে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন। বক্তব্যে ডেপুটি স্পিকার বলেন, সরকার গঠনের পর দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফরের গন্তব্য হিসেবে চীনকে বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফর বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং দুই দেশের সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।
আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব
ডেপুটি স্পিকার জানান, জ্বালানি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, ঋণের চাপ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের অস্থিরতা এমন চ্যালেঞ্জ যে কোনো একক দেশের পক্ষে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তাই আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং সংলাপ বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন। ফোরামের ফাঁকে বাংলাদেশের সংসদীয় প্রতিনিধি দল চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ইউনান প্রদেশের কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে। তারা বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং এ সময় বৈশ্বিক সহযোগিতার গুরুত্ব উল্লেখ করেন।
প্রতিষ্ঠান এবং সম্পর্কের ইতিহাস
বক্তব্যে কায়সার কামাল সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন যে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতির ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফর দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি আরও দৃঢ় করেছিল। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার চীন সফর (১৯৯১ ও ২০০২) সেই সম্পর্ককে আরও জোরদার করেছিল। এই তথ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জুনের শেষে চীন সফরের গুরুত্ব স্পষ্ট করেন এবং সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সফর দ্বারা আঞ্চলিক সহযোগিতার বৃদ্ধি সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের আগে সংসদীয় প্রতিনিধি দল এক্সপোজিশনে অংশ নেয়। সেই মেলায় বাংলাদেশ থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশগ্রহণ করছে এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে। সংসদ সচিবালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে অনুষ্ঠানে কায়সার কামাল বলেন, চীনের সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের নানা ক্ষেত্রে আগ্রাণী স্থান অর্জন করবে।
বৈঠকে চীনা নেতারা বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সম্ভাব্য সব ক্ষেত্রে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। জুনের শেষে চীন সফর বাংলাদেশ বিশ্বে আগ্রাণী স্থান অর্জন করার আশা জানিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের সমন্বয় করার কথা উল্লেখ করেন। এই প্রস্তাব দ্বারা আঞ্চলিক সহযোগিতার ভূমিকা অপরিহার্য হয়ে ওঠে।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন এবং চামড়া শিল্পের উন্নয়নের বিষয়ে চীনের সহযোগিতা কামনা করা হয়। সফরে দুই দেশের বৈদেশিক কর্ম
