পরিত্যক্ত মাদ্রাসায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ
আল আমিন নামে এক ব্যক্তি ও শিশু সম্পর্কে নতুন প্রমাণ আবিষ্কৃত
পর ত যক ত ম দ র – ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে একটি স্থানীয় মাদ্রাসায় সূত্র থেকে জানা যায় যে শিশু একটি স্থানীয় গ্রামের বাসিন্দা। তার পরিবার কর্তৃক তৈরি করা হয়েছে স্থানীয় কার্যক্রমের প্রতিবেদন। এ মাদ্রাসায় তিনি ৫ম শ্রেণিতে পড়া শেষ করে। গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে তিনি মাদ্রাসায় পড়া শেষে বাড়ি ফেরার পথে আল আমিনের মনোহারী দোকানে একশত টাকা ভাংতি নেওয়ার জন্য যায়।
এ সময় আল আমিন মেয়েকে মজা বিস্কুট দেওয়ার প্রস্তাব দেখায়। তিনি মাদ্রাসা ভিতরে পরিত্যক্ত টিনসেড ঘরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিশুটি ঘটনার বিষয়ে কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত শিশুটিকে সোস্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ছাড়ার হুমকি দিয়ে নিজের কাছে আসতে বলে।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে শিশুটির মা গফরগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বলেন, আমি দুই ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছি। শিশু মেয়েটির সঙ্গে এমন করবে ভাবতেও পারিনি। মানুষরূপী এই জানোয়ারের ফাঁসি দাবি করছি।
আমার বোনটি সবসময় কান্নাকাটি করছে। এই নরপশুর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।
এ বিষয়ে গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। মামলা হিসেবে নথিবদ্ধ করা হবে। একইসঙ্গে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা হবে।
