পাকিস্তানে সেনাঘাঁটিতে হামলা: চার সেনা সদস্যসহ নিহত ১০
প ক স ত ন স ন – করাচির সিটিজেন রেঞ্জার্সের প্রাদেশিক সদরদপ্তরে শনিবার (২৭ জুন) গাড়ি বিস্ফোরণের পর ব্যাপক গোলাবর্ষণ ঘটেছে। সেনাবাহিনী ও পুলিশ কমান্ডোদের কাছে হামলার সংঘটনের সূত্র থেকে বিশদ তথ্য প্রকাশ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। পরিস্থিতি কমপক্ষে চার জন সদস্যের আহত হওয়ার কথা জানায় সিন্ধু রেঞ্জার্সের গুলিস্তান-ই-জোহর এলাকায় অবস্থিত স্থাপনার ঘটনা। এতে মোট নিহত হয়েছেন ১০ জন মানুষ, যার মধ্যে চার সেনা সদস্য রয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
হামলার সংঘটনের বিস্তারিত বিবরণ
হামলার ঘটনার পর মোসামিয়াত চত্বর ও তার আশপাশে গোলাগুলির শব্দ শোনা গিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী স্থানীয় এলাকাকে আবদ্ধ করে দেয়া হয়। এটি পাকিস্তানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্বারা গুরুতর হামলার ঘটনার পর দ্বিতীয় বড় ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইউনিভার্সিটি রোডের আবহাওয়া চত্বরের কাছে আরেকটি বিস্ফোরণ ও তীব্র গোলাগুলির খবর পাওয়া যায়। গুরুতর হামলার পর পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনী কাজে লেগেছে।
তিনি বলেন, পুলিশকে অবিলম্বে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। হামলার চেষ্টা প্রতিহত করার সময় ছয়জন হামলাকারী নিহত হন এবং একজন জীবিত আটক করা হয়। পাকিস্তানে প্রতিদিন গুরুতর হামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে যার প্রভাব সীমাহীন।
হামলার দায়ী ঘোষণা করেছে জামাত-উল-আহরার (জেইউএ), যেটি তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সহযোগী হিসেবে পরিচিত। গোষ্ঠীটি দাবি করেছে যে, তাদের আত্মঘাতী ইউনিট ‘খোলাফা-ই-রাশিদীন ইশতিশহাদী ব্রিগেড’ হামলা চালিয়েছে। এটি পাকিস্তানে চরমপন্থি গোষ্ঠীগুলির একটি গুরুতর হামলার সংঘটন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সিটিজেন রেঞ্জার্সের প্রাদেশিক সদরদপ্তরে ঘটনার সূত্র থেকে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
পাকিস্তানে সামাজিক ও ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলির মধ্যে তীব্র বিরোধ রয়েছে, যা পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্বারা অবিলম্বে প্রতিহত করার জন্য চালু করা হয়েছে। ঘটনাটি করাচি
