ভেনেজুয়েলায় দুর্ভাগ্যবশত দুটি ভূমিকম্পের তিন দিন পর উদ্ধারকর্মীদের দ্বারা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে দুই নব্বই বছর বয়সী ছেলেকে
ভ ম কম প র ত ন – ভেনেজুয়েলার সরকারি কর্তৃপক্ষের মতে, গত বুধবার স্থানীয় সময় বিকেলে কারাকাস থেকে প্রায় ১৬৮ কিলোমিটার পশ্চিমে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এগুলি ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে ঘটে। এটি গত ১২৬ বছরের মধ্যে দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
উদ্ধারকর্মীদের দ্বারা দুই ছেলেকে জীবিত উদ্ধার
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ একটি প্রতিবেদনে ঘোষণা করেন যে কারাবালেদা থেকে আরও এক নব্বই বছর বয়সী বালককে জীবিত উদ্ধারের খবর প্রকাশ করা হয়েছে। এ সময় ধ্বংসস্তূপ থেকে স্ট্রেচারে বালককে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ভিডিওতে দেখা যায়। আধুনিক সরঞ্জাম, প্রশিক্ষিত উদ্ধারকর্মী ও ড্রোনের সাহায্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বিবিসি আজ (২৯ জুন) প্রকাশ করেছে যে প্রথম উদ্ধার করা হয়েছে মোইসেস নামের এক বালককে। তাকে কংক্রিটের স্তূপ থেকে বের করতে প্রায় ছয় ঘণ্টার ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান প্রয়োজন হয়। সূর্যের তীব্র আলো থেকে চোখ রক্ষা করতে কাপড় দিয়ে তাকে ঢেকে রেখে তাকে বের করা হচ্ছে।
সময় বয়সী ছেলে উদ্ধারের পর তার মা ও বোনের মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকর্মীদের মতে ধ্বংসস্তূপের নিচে পানি বা খাবারের সামান্য উৎস থাকলে কিছু মানুষ আরও কিছুদিন বেঁচে থাকতে পারেন। উদ্ধারকারীরা আরও অনেক মানুষ উদ্ধারের সম্ভাবনা প্রকাশ করেছেন যেহেতু ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটার ৮৫ ঘণ্টারও বেশি সময় অতিবাহিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সহায়তার মাধ্যমে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী নিহতদের সংখ্যা অন্তত ১ হাজার ৪৩০ জন। যাইহোক অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়ে আছেন।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৫০ হাজার মানুষ নিখোঁজ। বিরোধী পক্ষের দাবি হিসাবে এ সংখ্যা ৫৫ হাজারেরও বেশি।
আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ক্ষতিগ্রস্ত হিসাব প্রকাশ করা গেলে নিহত মানুষের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্�
