ব্রাজিল আর জাপানের মাথায় মানসিক খেলার কোনো স্থান নেই আনচেলত্তির দলে
জ প ন র ম নস ক – বিশ্বকাপ ২০২৬ এর জন্য ব্রাজিল এবং জাপান প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নকআউট পর্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হতে চলছে। এই ম্যাচ সি গ্রুপ এবং এফ গ্রুপ থেকে বাইরে আসা দুই দলের জন্য একটি সূত্র হতে চলছে, যেখানে জাপানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সম্পর্কে ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি এবং তাঁর দলের সাথে সংবাদসম্মেলনে মুখোমুখি হন। এই ম্যাচটি ব্রাজিলের জাপানের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সাথে সম্পর্কে আলোচনা করে দুই দলের প্রস্তুতি বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য যোগ করতে হবে।
প্রতিদ্বন্দ্বিতার আগে সম্পর্কে ব্রাজিলের কোচের মন্তব্য
আনচেলত্তি জাপানের মানসিক খেলার সম্পর্কে বলেন, “ইংল্যান্ডে এটি মাইন্ড গেমস হিসেবে পরিচিত, কিন্তু আমরা এতে জড়াচ্ছি না। পর্তুগিজ ভাষায় এটাকে কী বলে সেটা যাই হোক, আমাদের কোনো সমস্যা নেই।” তিনি তাঁর দলকে বৃহৎ স্পর্ধার সামনে নিজেদের দক্ষতা বজায় রাখার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পরিচয় দেন। এই ম্যাচটি ব্রাজিলের জাপানের বিরুদ্ধে আরও একটি সুযোগ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
“অন্যরা যা বলে বলুক, আমি তা পুনরাবৃত্তি করব না। আমরা ম্যাচের উপর ভর দিয়েছি, প্রতিপক্ষের সামর্থ্যের উপর বিশ্বাস করছি এবং সমস্যা এড়ানোর জন্য এগিয়ে আছি।” আনচেলত্তির এই বার্তা জাপানের মানসিক খেলার চ্যালেঞ্জে স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া দেখায়।
জাপান এবং ব্রাজিলের গ্রুপ পর্বের কৌশল
ব্রাজিল সি গ্রুপে মরক্কো এবং স্কটল্যান্ড বিপক্ষে ক্রমাগত কৌশলগত সফলতা অর্জন করেছে। এই ম্যাচগুলি দ্বারা দুই দলের জাপানের মানসিক খেলার বিরুদ্ধে আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। আনচেলত্তির দল জাপানের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সামনে তাদের তাক্তিক পরিকল্পনা করেছে এবং মানসিক খেলার চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
অন্যদিকে জাপান এফ গ্রুপে নেদারল্যান্ডস এবং তিউনিসিয়া বিপক্ষে সফল হয়েছে। দুই দল নকআউট পর্বে যাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতার সামনে সরাসরি সম্মুখীন হবে। এই প্রতিযোগিতার সাথে জাপানের মানসিক খেলার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
জাপানের সামুরাই ব্লুজ দল বিশ্বকাপের প্রতিযোগিতার সাথে আনচেলত্তির দলের সম্মুখীন হবে। এই ম্যাচটি ব্রাজিলের জাপানের বিরুদ্ধে নকআউট পর্বে প্রথম সামনে নামবে। তাদের মানসিক খেলার
