ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে
ভ ন জ য ল র ভ – বিষয়টি ঘটেছে মধ্য-উত্তর ভেনেজুয়েলায়, যেখানে পাঁচ দিনের পরও ধ্বংসস্তূপ থেকে মৃতদের উদ্ধারের কাজ অব্যাহত রয়েছে। সরকারি হিসাবে স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আড়াই হাজার ভবন এবং বিভিন্ন স্থাপনা। যার মধ্যে বড় একটি অংশ সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে।
সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী কমপক্ষে ১ হাজার ৭১৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে। রয়টার্স প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন এবং একাধিক বাসিন্দা নিখোঁজ হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
সামগ্রিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে জাতিসংঘের আবাসিক ও মানবিক সমন্বয়কারী জিয়ানলুকা রামপোলা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম প্রতিটি মুহূর্তে নতুন ঝুঁকি তৈরি করে চলছে।
ভূমিকম্পে দেশের সাতটি রাজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে অনুসন্ধান কাজ অব্যাহত রয়েছে। আঘাত হানা এই বিধ্বংসী ভূমিকম্পে যে প্রায় ৫০০টি আফটারশক বা পরবর্তী কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে, তার মধ্যে সোমবার (২৯ জুন) ভোরে অনুভূত ৫ দশমিক ২ মাত্রার কম্পনটি উল্লেখযোগ্য।
দুর্যোগ মোকাবিলায় জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ব্যাপক মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চালু হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন বলে সতর্ক করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলা সরকার ও জাতিসংঘ যৌথভাবে ১০ হাজার মৃতদেহ সংরক্ষণের ব্যাগ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে।
তারা বলেন যে বর্তমানে ২৭টি দেশের দুই হাজারের বেশি উদ্ধারকর্মী এবং ১৬০টি প্রশিক্ষিত অনুসন্ধানী কুকুর প্রতিটি দিন ধরে দুর্গত এলাকার জন্য কাজ করছে। এই বিষয়টি উল্লেখ করে জিয়ানলুকা রামপোলা বলেন, উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাওয়া প্রতিটি মুহূর্তে নতুন ঝুঁকি আবিস্কার করা হচ্ছে।
অতিরিক্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে এক সপ্তাহে প্রতিবেদন করেছে সংশ্লিষ্টরা। আঘাত প্রাপ্ত অঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়ায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের উদ্ধারের কাজ আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কর্তৃপক্ষ।
