চার বছর পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও মার্কিন ডলারের বিশাল পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে
চ র বছর পর দ শ র বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাক্ষরিত (গ্রস) হিসাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ০৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭,০৫২ দশমিক ৯১ মিলিয়ন)। এই মুদ্রার তহবিল চার বছর পর স্থিতিশীল হয়েছে এবং বৈদেশিক আয় ও আমদানি ব্যয়ের সামঞ্জস্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারে প্রতিরোধে রিজার্ভ ইতিবাচক প্রবণতা তৈরি করেছে। এ সম্পর্কে সূত্রের মতে, চার বছর পর দেশের সরকার বৈদেশিক মুদ্রা তহবিলে বিশেষ ভাবে খেয়াল খাইয়াছে যাতে মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পায়।
বৈদেশিক মুদ্রা তহবিলের গুরুত্ব
বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য। এ বিষয়ে চ র বছর পর দ শ র অর্থনীতি অনুযায়ী, এই পরিমাণ বিশ্ব অর্থনীতির সাথে সম্পর্কিত রিজার্ভ স্বাক্ষরিত হিসাবে প্রায় স্থির রয়েছে। এই তহবিলের স্তর স্থিতি নিশ্চিত করতে চার বছর পর দেশের মুদ্রা বাজার বৃদ্ধি হয়েছে যার ফলে প্রতিরোধ বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের পরিমাণ হিসাব করা হয়। রিজার্ভের মান এখন পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে। চ র বছর পর দ শ র আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজার তহবিল যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে যে সেই পরিমাণ আগের তুলনায় কিছু বেশি রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ৩৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
রিজার্ভ বৃদ্ধির প্রধান কারণ
রপ্তানি আয় ও প্রবাসী সম্পদের সাথে সামঞ্জস্য চার বছর পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রা তহবিল গড়ে তুলেছে। এছাড়াও বৈদেশিক ঋণ এবং বাজেট সহায়তার কারণে মুদ্রার তহবিল পুনরায় স্থিতি ফেলেছে। এ প্রসঙ্গে চ র বছর পর দ শ র অর্থনীতি গুরুত্বপূর্ণ কারণে রিজার্ভ বৃদ্ধি ঘটেছে যে কিছু স্থিতি ফেলেছে।
এই স্থিতি রিজার্ভ তহবিল স্থির রাখতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পূর্বে সেপ্টেম্বর ২০ তারিখে ২০২২ সালে রিজার্ভের মান ছিল ৩৭ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু আমদানি ব্যয় পরিশোধে মুদ্রা বিক্রির ফলে পরদিন তা কমে পড়েছিল। এখন চার বছর পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সেই সংখ
