নেতানিয়াহু জানে কে বস: ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া এবং মার্কিন ইসরায়েল সম্পর্কে বিশ্লেষণ
ক বস স ট ন ত ন – নেতানিয়াহু জানেন কে বস সেটা ট্রাম্প হবে না কেউ অন্য কারও হবে এমন ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বর্তমানে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্পের মধ্যে আগামী সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে বৈঠকের প্রস্তাব দেখা যাচ্ছে, যার মাধ্যমে সংকটাপন্ন সম্পর্ক আবার এক ধাপ আগে যাচ্ছে। ট্রাম্পের নেতানিয়াহু জানে কে বস হিসেবে নিখুঁত কার্যকর সম্পর্ক নির্দেশ করা হয়েছে, যার ফলে সম্পর্কের দুই পক্ষ আবার এক স্তরে উপস্থিত হয়েছে।
ট্রাম্পের আক্রমণ এবং সম্পর্কের দুর্দশা
এটা বলা হচ্ছে যে নেতানিয়াহু জানেন কে বস হিসেবে ট্রাম্প বিশেষ করে তাঁদের মধ্যে ক্ষমতার বিষয়ে অধিকার রাখেন। লেবাননে হিজবুল্লাহ বিরুদ্ধে অভিযান সম্পর্কে ইরানের সাথে শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সরাসরি আক্রমণ করেন, যে সময় তিনি নেতানিয়াহু জানে কে বস হিসেবে তাঁদের সম্পর্ক খুবই সুন্দর বলে মনে করেন। বর্তমানে নেতানিয়াহু জানে কে বস এর মাধ্যমে মার্কিন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করার প্রচেষ্টা হচ্ছে, যেখানে ট্রাম্প জানিয়েছেন তিনি তাঁদের প্রতি কার্যকর সমর্থন করেন।
“আমাদের সম্পর্ক খুবই ভালো। নেতানিয়াহু জানেন, কে বস হিসেবে আমি কে কাছে অধিকার রাখি।”
ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু জানে কে বস হিসেবে নিখুঁত কার্যকর সম্পর্ক রেখেছেন, যে কারণে ইরান বিরোধী যুদ্ধের প্রস্তাব সম্পর্কে তাদের মধ্যে আলোচনা বাড়ছে। বর্তমানে সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল ওয়াশিংটনে ফেব্রুয়ারি মাসে যেখানে নেতানিয়াহু জানে কে বস সেটা ট্রাম্পের প্রতি অধিকার নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। অ্যাক্সিওস কর্মকর্তা তাদের সাক্ষাতকারে ঘোষণা করেন যে হোয়াইট হাউসে আসার প্রস্তাব অনুসারে সংকটাপন্ন সম্পর্কের দুই পক্ষ আবার প্রতিক্রিয়া নেবে।
ট্রাম্পের নেতানিয়াহু জানে কে বস এর ধারণা নিয়ে আলোচনা সম্পর্কে বিশেষ করে ন্যাটো সম্মেলনে তিনি বাড়তি কার্যকর প্রতিক্রিয়া নিয়েছেন। কে বস হিসেবে তিনি আগামী সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে আসতে পারেন যার প্রস্তাব নেতানিয়াহু কার্যালয় থেকে স্বাক্ষর করেছেন। তবে কে বস হিসেবে নিখুঁত কার্যকর সম্পর্কের প্রস্তাব নেতানিয়াহু জানে কে বস সেটা ট্রাম্প �
