মাশরাফীর রেকর্ড ভাঙলেন নাহিদ, অলআউট জিম্বাবুয়ে
ম শর ফ র র কর ড – বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে নাহিদ রানা একটি ইতিহাস গঠন করেন। ম শর ফ র র কর ও জিম্বাবুয়ে বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দৃঢ় বোলিং পরিচালনা করে অপরাজিত অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার বিশ্বকাপ রেকর্ড ভেঙে দাঁড়ায়। বিশ্বকাপ ইতিহাসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি উইকেট পাওয়া নাম ছাড়া অপরাজিত রাখা হয় এবং তিনি সেই ম্যাচে ছয়টি উইকেট পাওয়ার সাথে আক্রমণ বানায়। বিশ্বকাপের রেকর্ড ভাঙার পর নাহিদ রানা তার অভিজ্ঞতার পরিচয় দেয় এবং বোলিং করার দক্ষতা প্রমাণ করেন।
ম্যাচের সামগ্রিক পরিস্থিতি
হারারে স্পোর্টস ক্লাবে বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ টসে জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেন। জিম্বাবুয়ে প্রথম ম্যাচে ব্যাট করে মোট ৩৮.৪ ওভারে ১৪১ রান করে স্কোর ছুঁয়ে নেয়। বাংলাদেশের দরকার ছিল ১৪২ রান, যেটি দুই অঙ্কে ক্ষতি করে দারুণ পরিশ্রম করে পূরণ করে। প্রথম ওপেনার বেন কারেন ও ব্রায়ান বেনেট যথাক্রমে ১৮ ও ১৭ রান করে আক্রমণের দায়িত্ব পালন করেন। তাদের পরে দুই ব্যাটার রিচার্ড এনগারাভা ও ইনোসেন্ট কায়া যথাক্রমে ২৬ ও ২৭ রান করে এগিয়ে যান। সর্বোচ্চ রান নিউম্যান নিয়ামহুরি করেন যেখানে ৩৩ রান করেন।
নাহিদ রানা প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সেরা বোলার হিসেবে তার বোলিং ফিগার তৈরি করেন। ম শর ফ র র কর জিম্বাবুয়ে বিরুদ্ধে ছয়টি উইকেট পাওয়ার সাথে ২১ রানে বোলিং করেন। তার সফলতার পর বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে দুটি উইকেট তাসকিন আহমদ পান। এই ম্যাচে বাংলাদেশ ক্ষেত্রে ছোট পার্থক্যে অর্জন করে যে জিম্বাবুয়ে আক্রমণ পরিচালনা করেছিল কিন্তু বোলিং করার দক্ষতা বাংলাদেশের জন্য নির্ধারণ করে।
নাহিদের ক্রিকেট কর্মকান্ড
নাহিদ রানা এই ম্যাচে বিশ্বকাপের সাথে তার বোলিং ফিগার দেখানোর সুযোগ পান। তিনি প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে সেরা ফর্মে পারফরম করেন এবং বিশ্বকাপ রেকর্ড ভাঙার জন্য অপরাজিত রাখা হয়। প্রতিটি বল দিয়ে তার নির্বিঘ্ন বোলিং পরিচালনা করে জিম্বাবুয়ের স্কোর নিয়ন্ত্রণে তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশের সফল বোলিং কর্মকান্ডে চূড়ান্ত প্রভাব ফেলে এবং তার উইকেট সংগ্রহ করে জনপ্রিয়তা পান।
তিনি তার ক্রিকেট কর্মকান্ডে নিজেকে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার রেকর্ড ভাঙার জন্য এগিয়ে যান। ম শর ফ র র কর বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি উইকেট ক্ষেত্রে স্থান পান, যেটি নাহিদের পরিচয়ে নতুন সীমা স্থাপন করে। তার বোলিং কর্মকান্ড প্রতিয়োগিতার প্রতি অপরাজিত বোলার হিসেবে পরিচিত হয়। বাংলাদেশের দল এই সফলতার �
