১৪ মিনিটের ঝড়, প্রত্যাবর্তনের মহাকাব্য লিখে কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা
১৪ ম ন ট র ঝড় প – আফ্রিকার প্রতিনিধি মিশর দারুণ শুরু করে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে উপস্থিত হয়েছিল। প্রথমার্ধে স্বাভাবিক ছন্দে ছিল না আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠে বারবার বল হারানো ও ভুল পাসের কারণে আক্রমণ সাজাতে হিমশিম খেতে হয় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের।
১৫তম মিনিটে শর্ট কর্নার থেকে গড়ে ওঠা আক্রমণে মিশর এগিয়ে যায়। মারওয়ান আতেয়ার বাড়ানো ক্রসে লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে হারিয়ে ইয়াসির ইব্রাহিম শক্তিশালী হেডে বল জালে পাঠান। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের কিছুই করার ছিল না।
৩১ মিনিটে আর্জেন্টিনা সমতা ফেরার সুযোগ পায়। মিশরের ডিফেন্ডার হাইসেম হাসানের ফাউলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট কিক নিতে আসেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। কিন্তু তার শট অসাধারণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক মোস্তাফা শোবির।
৪৪ মিনিটে আর্জেন্টিনার আরও একটি বিপজ্জনক প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন শোবির। অন্যদিকে গোলে উল্লেখযোগ্য কোন আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি মিশর। তবু রক্ষণে শৃঙ্খলা ধরে রেখে প্রথমার্ধ শেষ করে আফ্রিকার দলটি ১-০ গোলের লিড নিয়ে।
দুর্দান্ত কাউন্টার অ্যাটাক এবং অপেক্ষাকৃত সমতা
৫৮ মিনিটে দুর্দান্ত এক কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করে মিশর। জিকোর কাছ থেকে আসা বল চমৎকার ফিনিশিংয়ে এগিয়ে গিয়েছিল তারা। কিন্তু আক্রমণের শুরুর দিকে ফাউল হওয়ার কারণে ভিএআর দেখে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। হাইসেম হাসানের চমৎকার দৌড়ে সালাহর পাস এবং জিকোর ফিনিশিং মিলিয়ে এটি বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা গোল হতে পারতো।
তবে ব্যবধান দিগুণ করতে বেশি সময় নেয়নি মিশর। এবার আর কোন সন্দেহ নেই, গোলটিও ছিল দারুণ।
মোহাম্মদ সালাহ ম্যাচের সূচনায় আক্রমণ শুরু করেন। তিনি ডান প্রান্তে বল বাড়িয়ে দেন হাসানের কাছে। হাসান নিচু ক্রসে বল বাড়িয়ে দেন বক্সের মাঝখানে, আর কোন মার্কিং ছাড়াই থাকা জিকো সহজ এক শটে বল জালে পাঠান। তাতে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় মিশর।
এরপর ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা। ৭৯ মিনিটে ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের ফাঁকি দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন। ডান দিক থেকে বাড়ানো মেসির একটি ক্রসে চমৎকার হেডে বল জালে জড়ান। মিশরীয় গোলরক্ষক শোবের হাত দিয়ে বলটি ঠেকানোর জোরদার চেষ্টা করলেও পোস্টের ভেতরের ক
