আর্জেন্টিনার পরাজয়ের বিরুদ্ধে রেফারি বিতর্ক উঠলো
ঘটন বহ ল খ ল য় আর – ফিফা বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্বে মিশর সম্পর্কে ঘটনাবহুল আলোচনা শুরু হয়েছিল। আর্জেন্টিনা স্বীকার করেছিল যে তারা খেলায় ঝড়ের কবলে পড়েছিল। লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল প্রায় সবকিছু, কিন্তু মাঠের সেই প্রতিযোগিতায় তারা পাঁচটি গোল করে জয় অর্জন করেছিল।
আর্জেন্টিনা ক্ষমতার ক্ষেত্রে সংঘর্ষ ঘটেছিল দুর্বল ও পক্ষপাতদুষ্ট রেফারি ল্যাতেজিয়ার দ্বারা। কারণ মিশরের প্রথম গোলের ২০ সেকেন্ডে একটি ফাউলের অভিযোগ এবং সেই অনুযায়ী গোল বাতিল করা হয়েছিল। যা নিয়ে বিশ্বব্যাপী ফুটবল ভক্তরা তাজ্জব হয়েছিলেন।
মিশরের একটি গোল বাতিল হওয়ার পর অনেক বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে। অদৃশ্য শক্তির বিপক্ষে বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি বিতর্কিত অধ্যায় লিপিবদ্ধ হয়েছিল। বিশ্বকাপে শুধু খেলা নয়, ব্যবসার দিকটাও দেখতে হবে। এবার ফিফা কি সেই ঝুঁকি নেবে?
মিশর চারবার বিশ্বকাপে পৌঁছেছিল। আর এবারই প্রথম নকআউটে আসে। আর্জেন্টিনার মোস্তফা শোবি এক পিরামিড হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই পিরামিড ভাঙল অদৃশ্য শক্তির খেলায়।
তবে আর্জেন্টিনা ঝড়ের কবলে পড়েছিল। খেলায় গোল হয়েছে পাঁচটি। প্রথম গোল করেন মিশরের ইয়াসির ইব্রাহিম। দ্বিতীয় গোলটি করেন মোস্তফা জিকো। মিশরের প্রথম গোলের পর মেসি উপুড় হয়ে ঘাস দেখছিলেন।
খেলার ভাগ্য নির্ধারিত হয় ইনজুরি টাইমে। মিশরের তারকা সালাহকে স্পষ্ট ফাউল করলেও রেফারি তা এড়িয়ে যান। এমনকি রিভিউতেও পাঠাননি। এটি অবিশ্বাস্য মনে হয়। অভিযোগ জানানো হয়েছে মিশর হেরে গেল রেফারির ছল-চাতুরিতে।
আর্জেন্টিনার মেসি বিশ্বকাপে টানা ৯টি গোল করেন। খেলা শেষে তিনি আবারও আলোচনায়। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বলা চলে ফুটবলকে শাসন করছেন। তিনি এখন ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে। গত সপ্তাহে দুটি জয়ের মাঝখানে তার ৩৯তম জন্মদিন পালন করেছেন।
খেলায় গোল হওয়ার আগমুহূর্তে রেফারি আবোল-তাবোল সিদ্ধান্ত দেন। লাল কার্ড ও হলুদ কার্ড মাঠে নয়, মাঠের বাইরেও দেখান। যা খেলার সৌন্দর্যে দাগ লাগিয়ে দেয়। জমজমাট প্রশ্নের সৃষ্টি করে।
কিন্তু কেন? বোধ করি, আপনারাও বুঝতে পেরেছেন।
মিশরের উত্থান দেখে মেসি নিজেই চিন্তায় পড়ে যান। বিতর্ক হচ্ছে এই বিশ্বকাপে সেরা খেলোয়াড় হবেন কে? লামিন ইয়ায়মাল, কাইলিয়ান এমবাপে, নরওয়ের হালান্ড ব
