সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কখনও হারেনি আর্জেন্টিনা, দুই ইতিহাস গড়ার পথে সুইসরা
স ইজ রল য ন ড র – আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কখনও হারেনি। তৃতীয় বারের মতো দুই দল মুখোমুখি হতে চলেছে যখন আলবিসেলেস্তে কোয়ার্টারফাইনালে পৌঁছতে পারেনি সুইসরা। ১৯৫৪ সালে সবশেষ কোয়ার্টারফাইনালে খেলেছিল সুইজারল্যান্ড। ৭২ বছর পর দলটি কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সুযোগ পেয়েছে। আর্জেন্টিনা তাদের সেমিফাইনালে উঠার স্বপ্ন দেখছে এখন পর্যন্ত ছন্দে আছে দুই দলই।
প্রথমবারের মতো কোয়ার্টারফাইনাল জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা। তারা রাউন্ড অব ৩২ এ কেপ ভার্দের বিপক্ষে ১২০ মিনিট খেলে ৩-২ গোলে জিতে শেষ ষোলোতে আসে। মিশরের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয়। সুইজারল্যান্ড কলম্বিয়ার সাথে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ০-০ ড্র করার পর পেনাল্টি শুটআউটে ৪-৩ ব্যবধানে জয় করে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে। রাউন্ড অব ৩২ এ আলজেরিয়াকে হারিয়েছিল তারা।
হেড-টু-হেড পরিসংখ্যান
বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের পূর্বের ম্যাচ সামনে আছে এবং আর্জেন্টিনা সেখানে সবশেষ ২০১৪ বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়ার গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল ল্যাটিন আমেরিকার পরাশক্তিরা। অতীতে দুই দলের মুখোমুখি হয়েছে ৭ বার। আর্জেন্টিনা তাদের কোনো ম্যাচ হারিয়েছে না। পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান অপটার সুপার কম্পিউটার পূর্বাভাস দিয়েছে যে আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা নির্ধারিত সময়ে ৫৭.৭ শতাংশ। সুইজারল্যান্ডের সম্ভাবনা মাত্র ১৮ শতাংশ। ড্র হওয়ার সম্ভাবনা মোট ২৪.৩ শতাংশ।
অতিরিক্ত সময় ও টাইব্রেকারসহ সব সম্ভাবনা বিবেচনায় সেমিফাইনালে ওঠার ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা ৭০.৫ শতাংশ হয়েছে। আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেছেন, ‘কেউই সহজ প্রতিপক্ষ নয়। সুইজারল্যান্ড খুবই ভালো একটি দল। তারা সবসময় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং জয়ী হয়। তাদের শক্তিশালী ঐতিহ্য এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে। তারা কঠিন প্রতিপক্ষ হবে এবং এখানে একটা লক্ষ্য নিয়ে এসেছে।’
‘তাদের কিছু আকর্ষণীয় খেলোয়াড় আছে, বিশেষ করে শারীরিক বৈশিষ্টের দৃষ্টিকোণ থেকে।’
সুইজারল্যান্ড কোচ মুরাত ইয়াকিন বলেছেন, ‘যখন আমাদের পায�
