Uncategorized

পাগলা শিয়ালের আক্রমণে আহত ৮ গবাদিপশুসহ এক ব্যক্তি

পাগলা শিয়ালের আক্রমণে আহত ৮ গবাদিপশুসহ এক ব্যক্তি প গল শ য় ল র আক - পাগলা শিয়ালের আক্রমণে এক ব্যক্তি ও আটটি গবাদিপশু আহত হয়েছে। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া

Desk Uncategorized
Published July 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পাগলা শিয়ালের আক্রমণে আহত ৮ গবাদিপশুসহ এক ব্যক্তি

প গল শ য় ল র আক – পাগলা শিয়ালের আক্রমণে এক ব্যক্তি ও আটটি গবাদিপশু আহত হয়েছে। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পোড়াবাড়িয়া গ্রামে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে প্রাণীটি গ্রামে ঢুকে দুর্দান্ত ভাবে আক্রমণ করে। পরে গ্রামবাসীদের আতঙ্কিত হয়ে শিয়ালটিকে ধরে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়। ঘটনার পর স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেন যে, পাগলা শিয়াল বা কুকুরের কামড়ে আহত গবাদিপশু সাধারণত সরকারি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা ছাড়া সামান্য ক্ষতি হয়। কিন্তু এ ঘটনায় বিপদ অত্যন্ত গুরুতর হয়েছে।

আক্রমণের পরিস্থিতি এবং প্রতিক্রিয়া

পোড়াবাড়িয়া গ্রামে আক্রমণের সময় পাগলা শিয়াল মোফাজ্জলের একটি, মাসুদের দুটি, সবুজের একটি, আউয়ালের একটি, শহিদের একটি, মজিবুরের একটি এবং অপর এক ব্যক্তির একটি গরু কামড়ে আহত করে। ঘটনার পর শিয়ালটি পুনরায় কামড়ে আহত করার চেষ্টা করে বলে জানা গেছে। গ্রামের এক ব্যক্তি বলেন, “পাগলা শিয়াল আমাদের পশু গুলির মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, সে আমাদের জীবন হুবহু হুতাশন করেছিল।”

প্রাণীটি কামড়ে আহত করে সর্বোপরি একটি ব্যক্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম প্রতিক্রিয়া হিসেবে শিয়ালটিকে ধরে নিয়ে আহত পশুদের চিকিৎসা করেন। পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হতে আহত ব্যক্তি পরিচিতি দেওয়া হয়। কর্মকর্তারা বলেন যে, পাগলা শিয়াল আক্রমণে গবাদিপশু এবং মানুষের আহত হওয়া সাধারণত সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে আসে। স্থানীয় জন সংক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

শিয়ালের আক্রমণে গ্রামে আতঙ্ক ছড়ায়

পাগলা শিয়ালের আক্রমণে পোড়াবাড়িয়া গ্রামে আতঙ্ক ছড়ায়। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা মোটামুটি সব পশু সংরক্ষণ করে। কিন্তু অনেক শিয়ালের আক্রমণ অনেক সময় ঘটে যেতে পারে যখন পশুদের মধ্যে পাগলা শিয়াল আর কুকুর দুর্দান্ত কাজ করে। ঘটনার পর আহত পশুদের মালিকদের কাছে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে, ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হবে এবং আক্রমণের আশংকা ছাড়া পশুদের গুলি বাড়ানো যাবে।

পাকুন্দিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আলী আকবর বলেন, “পাগলা শিয়াল আক্রমণে কামড়ে আহত গবাদিপশুর জন্য সরকারি ভ্যাকসিন সরবরাহ নেই। আমাদের পরিকল্পনা ছাড়া গবাদিপশু সামান্য ক্ষতি হয়।” প্রাণীটি কামড়ে আহত করার পর গ্রামে আতঙ্ক ছড়ায়। স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেন যে, পাগলা শিয়ালের আক্রমণ বাড়ছে এবং মানুষের জীবন নিয়ে বিপদ ঘটছে। তাই আতঙ্ক দূর করার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

পাগলা শিয়ালের আক্রমণে পশু দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে যখন এ ধরনের সমস্যা কমপক্ষে দুই বার ঘটে। কিছু বাসিন্দা বলেন যে, বৃহস্পতিবার আক্রমণের পর থেকে গ্রামে কোনো কিছু না বাড়িয়া যাওয়ার পরিকল্পনা হয়। স্থানীয় কর্মকর্তারা এ প্রসঙ্গে বলেন যে, পাগলা শিয়ালের �

Leave a Comment