হামে মৃত্যু ৯০০ ছাড়িয়েছে, আরও ৮ জনের মৃত্যু
হ ম ম ত য ৯০০ ছ - গত পাঁচ মাসে দেশে হাম ও হামের উপসর্গজনিত কারণে মোট ৯০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রকাশিত সাম্প্রতিক
Table of Contents
হামে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়ে ৯০২
Todaybangladeshnews.com – হ ম ম ত য ৯০০ ছ – গত পাঁচ মাসে দেশে হাম ও হামের উপসর্গজনিত কারণে মোট ৯০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়কালে হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন ৭২৮ জন। এই সংখ্যাটি গত সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই একই ২৪ ঘণ্টা সময়কালে হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু ঘটেছে। ঢাকায় ৯ জন এবং সিলেটে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ৭০ জনের শরীরে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মৃত্যুর হার কমানোর জন্য দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা প্রয়োজন।
মোট মৃত্যুর হিসাব
১৫ মার্চ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছেন ৮০৩ জন। একই সময়ে হাম শনাক্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৯৯ জনের। সব মিলিয়ে পাঁচ মাসে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০২ জনে। এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট যে হাম এখনও দেশের একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৬ জন। হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৮০০ জনের। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫৭৬ জনে। এই সংখ্যাটি প্রতিদিনই বাড়ছে, যা সরকারি সতর্কতাকে আরও জোরদার করার দাবি রাখে।
এই সময়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭০০ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ৫৪৯ জন। হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে হাম রোগীদের জন্য বিশেষ ওয়ার্ড চালু রয়েছে।
হাম প্রতিরোধে করণীয়
হাম প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকাদান। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ১২ মাস থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের প্রথম টিকা এবং ৪ থেকে ৫ বছর বয়সে দ্বিতীয় টিকা দেওয়া হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের টিকা না থাকলে দ্রুত টিকা নেওয়া উচিত।
হামের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লাল দাগ দেখা দেওয়া। এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, তাই আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যান্যদের থেকে আলাদা রাখা জরুরি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেন, “আমরা চাই সব শিশুই টিকার আওতায় আসুক। টিকা নেওয়া শিশুদের মধ্যে হামের ঝুঁকি ৯০ শতাংশেরও বেশি কমে যায়।”
প্রশ্নোত্তর
হাম কতদিন পর্যন্ত সংক্রামক থাকে? হাম আক্রান্ত ব্যক্তি জ্বর শুরু হওয়ার ৪ দিন আগে থেকে ৪ দিন পর পর্যন্ত সংক্রামক থাকে।
টিকা না থাকলে কী করা উচিত? যদি শিশুর টিকা না থাকে, তবে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে টিকা নেওয়া উচিত। টিকা নেওয়ার পর শিশুকে অন্তত ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা ভালো।
হাম থেকে কীভাবে বাঁচা যায়? নিয়মিত হাত ধোয়া, সংক্রামিত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়ানো এবং টিকাদান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ হাম প্রতিরোধে সহায়ক।
আরও বিস্তারিত জানতে চ্যানেল আই অনলাইন এর স্বাস্থ্য বিভাগ দেখতে পারেন।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is হ ম ম ত য ৯০০ ছ?
হ ম ম ত য ৯০০ ছ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does হ ম ম ত য ৯০০ ছ matter?
হ ম ম ত য ৯০০ ছ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
