Uncategorized

ইরান-ওমানের হরমুজ চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

ইর ন ওম ন র হরম জ - ১৮ অগাস্ট, মঙ্গলবার — আল জাজিরা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, ইরানের

Desk Uncategorized
Published August 19, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. হরমুজ চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের নতুন অবস্থান: 'ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা নেই'
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

হরমুজ চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের নতুন অবস্থান: ‘ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা নেই’

Todaybangladeshnews.com – ইর ন ওম ন র হরম জ – ১৮ অগাস্ট, মঙ্গলবার — আল জাজিরা সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে তার প্রশাসনের কোনো আলোচনা চলছে না, ভবিষ্যতেও এমন কোনো বৈঠকের নির্ধারিত সময় নেই। একই বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ খোলা ও সচল অবস্থায় আছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্ট ও মানচিত্র

মঙ্গলবার ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্ট প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি লিখেন, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ‘পুরোদমে কার্যকর’ অবস্থায় আছে, তবে অন্যান্য সব ধরনের সামুদ্রিক যান স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে। পোস্টের সঙ্গে তিনি একটি মানচিত্রও যুক্ত করেন, যেখানে হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে — মানচিত্রের ওপর লেখা ছিল ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’। গত সপ্তাহে ট্রাম্প ইরান ‘আত্মসমর্পণ’ না করলে প্রণালিটিকে মার্কিন ভূখণ্ড ঘোষণা করার হুমকি দিয়েছিলেন; সেই হুমকিই এই মানচিত্রে পুনরায় তুলে ধরা হয়েছে।

‘ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা বা কথাবার্তা চলছে না এবং এমন কোনো আলোচনা নির্ধারিতও নেই। নৌ অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে। হরমুজ প্রণালি খোলা ও সচল আছে। সব নৌমাইন অপসারণ করা হয়েছে অথবা বিস্ফোরিত করা হয়েছে।’

এক দিনের ব্যবধানে অবস্থান পরিবর্তন

এই বক্তব্য ট্রাম্পের সাম্প্রতিক অবস্থান পরিবর্তনের সর্বশেষ উদাহরণ। মাত্র এক দিন আগে, সোমবার, তিনি দাবি করেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে গোপন চ্যানেলে আলোচনা করছে। তেহরান সেই দাবি দ্রুতই প্রত্যাখ্যান করে। মঙ্গলবারের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইরান ও ওমানের চলমান আলোচনায় ট্রাম্প অসন্তুষ্ট। প্রণালির দুই তীরের দেশ ইরান ও ওমান এই বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে ট্রাম্প ইরানকে আত্মসমর্পণের দাবি জানিয়ে আসছেন এবং ওমান এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করলে দেশটিতে হামলার হুমকিও দিচ্ছেন।

তেহরানের জবাব: শর্ত পূরণ না হলে প্রণালি বন্ধই থাকবে

ইরান আবারও ঘোষণা করেছে, ওয়াশিংটন তাদের শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। মার্চে শুরু হওয়া সংঘাতের অবসানের লক্ষ্যে জুনে দুই পক্ষ যে সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছিল, সেই চুক্তির শর্ত পূরণের দাবি জানিয়েছে তেহরান।

ইরানের শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ মঙ্গলবার পার্লামেন্টে দেওয়া এক বক্তব্যে বলেন, এমওইউর শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রণালি বন্ধই থাকবে। তার বক্তব্য অনুযায়ী শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে: ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, তেল নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, তেহরানের জব্দ করা সম্পদ ছেড়ে দেওয়া এবং সব ধরনের হুমকি ও সামরিক অভিযান বন্ধ করা।

ইরানের আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবদী ট্রাম্পের পোস্টের সরাসরি জবাব দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেন:

‘ট্রাম্প যেমন চিরন্তন পারস্য উপসাগরের নাম সঠিকভাবে লিখেছেন, তেমনি হরমুজ প্রণালি নিয়ে তার বিভ্রান্তিও শিগগির সংশোধন হবে—অথবা আমরা এই বিভ্রান্ত ব্যক্তির বিভ্রান্তি সংশোধন করব।’

মধ্যস্থতাকারীদের চেষ্টা ও ওয়াশিংটনের ‘অপেক্ষা’ সিদ্ধান্ত

এদিকে মধ্যস্থতাকারীরা আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কাতার মঙ্গলবার জানিয়েছে, ইরান ও ওমানের মধ্যে প্রত্যাশিত চুক্তির অপেক্ষায় রয়েছেন মধ্যস্থতাকারীরা; এরপর তারা ওয়াশিংটন ও তেহরানকে পুনরায় আলোচনায় বসানোর উদ্যোগ নেবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে ‘ইতিবাচক আলোচনা’ চলছিল। তবে ট্রাম্প এখন ‘অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত’ নিয়েছেন এবং তেহরান কোনো চুক্তিতে যেতে ‘প্রস্তুত’ না হওয়া পর্যন্ত আলোচনাকারী দলকে অপেক্ষা করতে বলেছেন। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের অবস্থানে কোনো ‘বিরোধ’ নেই।

আঞ্চলিক উত্তেজনা: সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সিরিয়ায় নতুন ঘটনা

দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট হচ্ছে, শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়া এবং হরমুজ দিয়ে স্বাভাবিক নৌ চলাচল পুনরায় শুরু করার ক্ষেত্রে আপাতত কোনো অগ্রগতি নেই। ফলে সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা জারি করা হয়। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে। পরে জানানো হয়, দুটি ক্ষেপণাস্ত্রই সাগরে গিয়ে পড়েছে। মন্ত্রণালয় এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’।

এর আগে একই দিনে সিরিয়ার পূর্ব ইদলিবের গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত আবু আল-দুহুর সামরিক ঘাঁটিতে আটটি বিমান হামলা চালানো হয়। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলায় ঘাঁটিটির ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ এসব হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে। সিরিয়া ও ইরাকবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত টম বারাক হামলাটিকে ‘অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা বৃদ্ধি’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কোনো ভূমিকা রাখছে না।

Frequently Asked Questions

What is ইর ন ওম ন র হরম জ?

ইর ন ওম ন র হরম জ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ইর ন ওম ন র হরম জ matter?

ইর ন ওম ন র হরম জ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment