Uncategorized

দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান

দ শ র গণতন ত রক ম - বাংলাদেশের রাজনৈতিক চিত্রে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রতিবারই একটি নির্ণায়ক মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়। এবার সেই ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

Desk Uncategorized
Published September 1, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
khrisna-edit-1788219896-5c0cface2a
Foto : Mary Brown - todaybangladeshnews.com
Table of Contents
  1. বিএনপির ৪৮ বছর: গণতন্ত্রের সংগ্রাম ও জনগণের ক্ষমতার প্রশ্নে তারেক রহমানের বাণী
  2. Related Reading
  3. Frequently Asked Questions

বিএনপির ৪৮ বছর: গণতন্ত্রের সংগ্রাম ও জনগণের ক্ষমতার প্রশ্নে তারেক রহমানের বাণী

Todaybangladeshnews.com – দ শ র গণতন ত রক ম – বাংলাদেশের রাজনৈতিক চিত্রে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রতিবারই একটি নির্ণায়ক মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়। এবার সেই ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি বিশেষ বাণী প্রকাশ করেছেন, যেখানে দলের অতীত সংগ্রাম, বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে একই বাক্যে জড়িয়ে ধরা হয়েছে। বাণীর কেন্দ্রীয় বক্তব্য হলো — দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই এই দলের রাজনৈতিক ক্ষমতার একমাত্র উৎস।

রমনার খোলা আকাশের নিচে একটি দলের জন্ম

১৯৭৮ সালের এই দিনে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে — যা তখন রমনা রেস্তোরাঁ প্রাঙ্গণ হিসেবে পরিচিত ছিল — বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেন। তারেক রহমানের বাণীতে এই ঘটনাটি কেবল একটি রাজনৈতিক দলের জন্ম নয়, বরং বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মোড় হিসেবে চিহ্নিত।

বাণীতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি অভিশপ্ত একদলীয় ‘বাকশাল’ চালু হওয়ার মাধ্যমে বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক পথ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্ধকারের পর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে প্রথম কাজ হিসেবে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দেন। এই ধারাবাহিকতায়ই নতুন একটি রাজনৈতিক শক্তির জন্ম নেয়, যার ফলে বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের পথচলা আবার শুরু হয়।

স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রহরী

তারেক রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, বিএনপি কেবল গণতন্ত্র বা সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়ও দলটি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে। বাণীতে বলা হয়েছে, দেশে যতবারই স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব বা গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে, ততবারই গণতন্ত্রকামী জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে দলের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সমর্থকগণ জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন।

দেশে যতবারই জনগণ নির্ভয়ে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবারই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে।

এই বক্তব্যের পেছনে দলের দাবি রয়েছে যে, বিভিন্ন মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময়ে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, নারীশিক্ষার প্রসারসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। এই উদ্যোগ ও সংগ্রামের ফলেই দলটি দেশবাসীর কাছে সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে বাণীতে দাবি করা হয়েছে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি ও মরহুমা চেয়ারপারসনের স্মরণ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে তারেক রহমান স্বাধীনতার মহান ঘোষক, সফল রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন। একই সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকেও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

বেগম খালেদা জিয়া তাঁর সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

এই স্মরণ কেবল ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা নয় — এটি দলের নেতৃত্ব-সংক্রান্ত একটি বড় প্রশ্নেরও ইঙ্গিত দেয়, যেখানে একজন নেতার অনুপস্থিতিতে দলের ভবিষ্যৎ গতিপথের প্রশ্ন তৈরি হয়।

জবাবদিহি ও জনকল্যাণ: আগামী দিনের প্রতিশ্রুতি

বাণীর শেষাংশে তারেক রহমান দীর্ঘ দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসানের পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে বলে দাবি করেন। সেই দায়িত্বের প্রতিদান হিসেবে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই দলের লক্ষ্য, এবং সেই লক্ষ্যে জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের জন্য নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়া হবে।

বিএনপির অপর নাম — একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম।

বাণীর সমাপ্তিতে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রেখে দলের প্রতিটি নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ী দেশমাতৃকার সেবায় নিবেদিত থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ৪৮ বছরের পথচলার পর এই বাণী মূলত একটি রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে কাজ করে — যেখানে ক্ষমতার উৎস হিসেবে জনগণকে কেন্দ্রে রেখে দলের ভবিষ্যৎ কর্মসূচির নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

Frequently Asked Questions

What is দ শ র গণতন ত রক ম?

দ শ র গণতন ত রক ম is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does দ শ র গণতন ত রক ম matter?

দ শ র গণতন ত রক ম matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Comment