Bangladesh

জিয়া বেঁচে থাকলে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ভিন্ন হতো: অধ্যাপক মামুন

জিয়া বেঁচে থাকলে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ভিন্ন হতো জ য় ব চ থ কল দ - বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, রাষ্ট্রীয় গঠন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন

Desk Bangladesh
Published May 31, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Thomas Thomas - todaybangladeshnews.com

জিয়া বেঁচে থাকলে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা ভিন্ন হতো

Todaybangladeshnews.com – জ য় ব চ থ কল দ – বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, রাষ্ট্রীয় গঠন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। এই সব গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জিয়া বেঁচে থাকলে দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বিশেষ পরিবর্তন ঘটতে পারত।

স্বাধীনতা ঘোষণার প্রভাব

১৯৭১ সালের মার্চে পাকিস্তানি বাহিনী গণহত্যা শুরু করে। এই সংকটময় সময়ে জিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। এর ফলে মুক্তিযুদ্ধ দ্রুত বিকসিত হয়। অধ্যাপক মামুন উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার ঘোষণা মানুষের মনোবল জোগায় এবং রাষ্ট্রীয় পরিচালনা করতে সাহায্য করে।

পুনর্গঠন ও আর্থনৈতিক পরিকল্পনা

মুক্তিযুদ্ধ শেষে জিয়া সেনাবাহিনীতে ফিরে আসেন। তিনি ডেপুটি চিফ থেকে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত হন। এ সময় কৃষি, শিল্প এবং গ্রামীণ উন্নয়নকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। খাল খনন, ১৯ দফা কর্মসূচি এবং পল্লী উন্নয়ন উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা পরিবর্তন করে।

কূটনৈতিক অবস্থান বিস্তার

জিয়া বাংলাদেশকে মধ্যপ্রাচ্য, চীন, যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা বিশ্বের সাথে সম্পর্ক গভীর করেছিলেন। তাঁর দূরদর্শন পরিচালনায় দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পেয়ে সার্ক প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়।

হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গ

অধ্যাপক মামুন উল্লেখ করেন, জিয়ার বিশেষ কূটনৈতিক সফলতা ছাড়া দেশ অনেক দূরে পড়ে থাকত। তবে তাঁর হত্যাকাণ্ডের কারণ নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা এই ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।

“এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং এর পেছনে কারা জড়িত ছিল তা জানতে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ঘটনার নেপথ্যের সব কুশীলবকে আইনের আওতায় আনা উচিত।”

১৯৮১ সালের মেতে চট্টগ্রামে বিদ্রোহ ঘটে। তখন সেনাবাহিনীর অংশ ক্ষমতার পরিবর্তনের চেষ্টা করে। কিন্তু বড় অংশ জিয়াকে প্রতি অনুগত রাখায় এই উদ্যোগ সফল হয় না। ফলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।

Leave a Comment