Bangladesh

দুই হাজার টাকার জন্য গলা কেটে হত্যা: মা-ছেলে আটক

e854123f-0df3-4fe9-a662-4557a314501d-0

দুই হাজার টাকার জন্য গলা কেটে হত্যা: মা-ছেলে আটক

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ঘটে আত্মঘাতী হত্যার ঘটনা

Todaybangladeshnews.com – দ ই হ জ র ট ক – দুই হাজার টাকা নিয়ে কেন্দুয়া উপজেলার দলপা কান্দাপাড়া গ্রামে একটি গুরুতর ঘটনা ঘটে। বুধবার ছয় জুন দুপুরে মিলন মিয়া (২১) নামে এক যুবক গলা কেটে হত্যা করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিলন মিয়া ছিলেন মৃত আমজাত আলীর পুত্র। তিনি তার প্রতিবেশী ইমন মিয়া ও তার মা হাফিজা বেগমের বিরুদ্ধে দুই হাজার টাকার জন্য গলা কেটে হত্যার অভিযোগ জোগানো হয়। এ ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আটক করে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে।

পরিশোধের জন্য বিরোধ বিস্তার করেছিল দুই পরিবার

তার পুত্র ইমন মিয়া ও তার মা হাফিজা বেগম মিলন মিয়ার কাছে দুই হাজার টাকা পাওনা ছিল। পরিশোধের জন্য সে স্থানীয়দের মধ্যে ক্রমাগত আগ্রহ জন্ম নেয়। হাফিজা বেগম দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মিলনের বাড়িতে যান যাতে পাওনা টাকা পরিশোধ করা যায়। তখন ইমন মিয়া ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মিলন মিয়ার সঙ্গে তুমুল বাকবিতণ্ডা বিস্তার করেন। ঘটনার কারণে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ইমন মিয়া তার সঙ্গী ধারালো দা দিয়ে মিলন মিয়ার গলায় কোপ দেয়। এতে মিলন গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে পড়েন। এর পর স্থানীয়দের জড়িত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইমন মিয়া ও হাফিজা বেগম পুলিশে আটক করা হয়। এ ঘটনার জন্য পুলিশ ঘটনাস্থলে আগমন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী মাকসুদ বলেন, দুই হাজার টাকার জন্য ঘটে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। ইমন মিয়া ও হাফিজা বেগমকে আটক করে তদন্ত শুরু করা হয়। তিনি বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদ্বয় পুলিশ কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে যে তারা তাদের পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য তীব্র রাজি ছিল।

নিহত মিলন মিয়াকে উদ্ধার করে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তার মৃত্যু ঘোষণা করা হয় নেত্রকোনার জেলা হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসকদের পরীক্ষার পর। এ ঘটনার পর গ্রামের বাসিন্দারা মাঝে মাঝে উত্তেজিত হয়ে থানার দিকে সামগ্রিক উপস্থিতি করে। এ বিষয়ে পরিবারগুলির মধ্যে বিরোধ বিস্তার করে দুই হাজার টাকার জন্য একটি গুরুতর সংঘটনা ঘটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *