Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম, যেখানে হবে সাফের ফাইনাল

Published June 6, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Thomas Thomas - todaybangladeshnews.com

Foto : Thomas Thomas - todaybangladeshnews.com

পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম, যেখানে হবে সাফের ফাইনাল

Todaybangladeshnews.com – পণ ড ত জওহরল ল ন হ - গোয়ার সাউথ গোয়া অঞ্চলে অবস্থিত পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম স্থানীয় ভাবে ফাতোর্দা স্টেডিয়াম নামে পরিচিত। এটি গোয়ার সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক মানের বহুমুখী ক্রীড়া স্থান। এই স্টেডিয়ামটি গোয়ার মারগাও শহরের ফাতোর্দায় অবস্থিত এবং মাত্র ছয় মাসের মধ্যে নির্মিত হয়েছিল। নির্মাণ কাজ তৎকালীন গোয়ার ক্রীড়ামন্ত্রী মন্তে ডি’ ক্রুজের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়।

স্টেডিয়ামটি ভারতীয় প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরুর নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে। এটি স্পোর্টস অথরিটি অফ গোয়া (এসএজি) কর্তৃক পরিচালিত হয়। বর্তমানে স্টেডিয়ামটির সাধারণ দর্শক ধারণক্ষমতা ১৯ হাজার কিন্তু ফিফা টুর্নামেন্টের সময় এই সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

এই স্টেডিয়াম বিশ্বের সেরা রক্ষণাবেক্ষণ করা মাঠ হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের পরিচিত দল এফসি গোয়া এর হোম গ্রাউন্ড। আই-লিগের চার্চিল ব্রাদার্স, ডেম্পো এসসি এবং সালগাওকর এফসি এখানে সাধারণত খেলে। প্রাথমিকভাবে ফুটবলের জন্য তৈরি হলেও পরবর্তীতে ক্রিকেটের পিচ স্থাপন করা হয়।

ফাতোর্দা স্টেডিয়ামের গ্যালারির প্রায় সম্পূর্ণ অংশ আধুনিক ছাদে আবৃত হওয়ায় দর্শকদের সুবিধাজনক আসন প্রদান করা হয়। তবে ভারতের অন্যতম সেরা স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে এটি কিছুটা পার্থক্য রয়েছে যেখানে ছাদের সুবিধা নেই।

ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ এখানে আয়োজিত হয়েছিল। এটি ২০১৭ সালের ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালের ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ নারী বিশ্বকাপের সম্পন্ন হয়েছে। আইএসএল ফাইনালের বেশ কয়েকটি ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল যেমন ২০১৫, ২০২০, ২০২১, ২০২২ এবং ২০২৩ সালে।

স্টেডিয়ামটি ২০১৪ সালে লুসোফোনিয়া গেমসের মূল ভেন্যু ছিল। যেখানে বিশ্বের পর্তুগিজভাষী দেশগুলির একটি অলিম্পিক-স্টাইল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। গোয়া পর্তুগিজ উপনিবেশের ইতিহাসে এটি বিশেষভাবে সাজানো হয়েছিল এবং পর্তুগাল, ব্রাজিল ও অ্যাঙ্গোলা সহ বিভিন্ন দেশের অ্যাথলেটরা এখানে অংশ নিয়েছিল।

স্টেডিয়ামের আধুনিক ফ্লাডলাইট এবং মন্দিরের ঐতিহ্যবাহী আরতির আলো মিলিত হয়ে এক অপূর্ব বৈচিত্র্যময় আধ্যাত্মিক ও ক্রীড়া আবহ তৈরি করে। গোয়ার সংস্কৃতির অন্যতম প্রতীক হিসেবে এটি পরিচিত।

স্টেডিয়ামের পশ্চিম দিকের গ্যালারি বা স্ট্যান্ডকে সম্প্রতি অফিসিয়ালি ফ্রান্সিসকো মন্তে ডি’ক্রুজ স্ট্যান্ড নামে বাড়ি দেয়া হয়েছে। বিশ্বমানের ফ্লাডলাইট, উন্নত ড্রেসিংরুম, ডোপিং �