Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ফারাক্কার পক্ষে থাকলেও ভারত কেন পদ্মা ব্যারেজের বিপক্ষে?

Published June 6, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Charles Thomas - todaybangladeshnews.com

Foto : Charles Thomas - todaybangladeshnews.com

ফারাক্কার পক্ষে থাকলেও ভারত কেন পদ্মা ব্যারেজের বিপক্ষে?

Todaybangladeshnews.com – ফ র ক ক র পক ষ - ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েক কোটি মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সংকট দাঁড়ায় পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে। ফারাক্কা ব্যারেজ হলে ভারত কিছুক্ষণ ধরে পানি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতি মুহূর্তে বিপন্ন হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। অত্যন্ত কম পানি পাওয়া হয়েছে তাদের অবশ্য অধিকারের শেষ করে।

বিশ্লেষকদের মতে, পদ্মা ব্যারেজ কেবল একটি সাধারণ অবকাঠামো নয়। এটি বাংলাদেশের পানিসম্পদ রক্ষার মাস্টারপ্ল্যান হিসেবে কাজ করে। বর্ষার মৌসুমে ভারত অতিরিক্ত পানি ছেড়ে দেয়, যা শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশকে আঘাত করে। পদ্মা ব্যারেজের মূল কাজ হলো গঙ্গা নদীর উদ্বৃত্ত পানি ব্যবস্থাপনা করা, যা বাংলাদেশের নদী ও পরিবেশকে রক্ষা করবে। বাঁধ খুলে দিয়ে বন্যার যে সমস্যা দিল্লির দৃষ্টি আকর্ষণ করে, তা থেকে চিরতরে মুক্তি পাবে বাংলাদেশ। পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের মাধ্যমে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা থেকে শুরু করে বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের মাটি থেকে লবণাক্ততা ধুয়ে মুছে যাবে।

ভারত এই প্রকল্পের বিরোধিতা করছে মূলত রাজনৈতিক কারণে। তারা গঙ্গা অববাহিকায় আধিপত্য রক্ষা করতে চায়। বাংলাদেশ নিজের স্বাধীন পানি ব্যবস্থাপনার ক্ষমতা অর্জন করলে ভারতের করুণার ওপর নির্ভরশীল থাকবে না। অত্যন্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে পানিকে ভৌগলিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যার কারণে বাংলাদেশ বিপন্ন হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

পানিসম্পদ প্রকৌশলের ইতিহাসের সাথে এই ব্যারেজের কোনো মিল নেই। ফারাক্কা থেকে ১৪৫ কিলোমিটার দূরে পদ্মা ব্যারেজের অবস্থান বিশেষজ্ঞদের মতে পানি আটকানো মাধ্যমে ভারতের প্রতারণা হিসেবে গৃহীত। ফারাক্কা পর্যন্ত পানি উঠে আসার আগে ভারত উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে বেশি পরিমাণ পানি সরিয়ে নেয়, ফলে বাংলাদেশ পায় মাত্র ২৫ হাজার কিউসেক পানি। তার বিপরীতে ন্যূনতম ৩৫ হাজার কিউসেক প্রয়োজন ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ার ভূতত্ত্ব ও সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান গঙ্গা চুক্তির আইনি ফাঁকি এবং বাংলাদ