Bangladesh

সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের মুখে নতুন করে বামপন্থী রাজনৈতিক উত্থান জরুরি!

kk

সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের মুখে নতুন করে বামপন্থী রাজনৈতিক উত্থান জরুরি!

Todaybangladeshnews.com – স ম র জ যব দ আগ – বাংলাদেশের টেকসই স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থে মানুষের চেতনা নতুন করে বিকাশের প্রয়োজন হয়েছে। বর্তমানে ডলার ও ডোনারনির্ভর সাম্রাজ্যবাদী প্রভাব বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে, যা সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিস্তার লাভ করছে। এই প্রেক্ষাপটে বামপন্থী ও সমাজতান্ত্রিক চিন্তার মানবিক ও সমাজ বিপ্লবের সংগঠন করা প্রয়োজন হয়েছে।

১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের দীর্ঘ দুই শতাব্দী দুর্বলতার আবরণ ভেঙে গেছে। স্বাধীনতা সংগ্রামে কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র ও বুদ্ধিজীবীদের অসীম বিপ্লব ঘটানোর মাধ্যমে নতুন পথ গড়ে উঠেছে। মানুষের মনন ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে স্বাধীনতা আন্দোলন অগ্রাধিকার লাভ করেছে।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই সময়ে শোষণের বিরুদ্ধে গান ও কবিতা দিয়ে জাতীয় চেতনাকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। আজ তার প্রেক্ষাপটে একটি নতুন আক্রমণ চলছে। কিছু নাগরিক সমাজের সুবিধাবাদ ও নীরবতার সংস্কৃতিতে বন্দি হয়েছে। বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠী, এনজিও ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সক্রিয়। সেই কারণে সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য নতুন সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি।

গণসঙ্গীত, নাটক, সাহিত্য ও শিল্প আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন জনপ্রজন্মকে দেশপ্রেম ও সামাজিক ন্যায়বিচারের চেতনা গড়ে তোলা প্রয়োজন। এই বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাংস্কৃতিক অঙ্গসংগঠনগুলো বিশেষ গুরুত্ব প্রদর্শন করতে হবে। আর সেই সঙ্গে বামপন্থী শক্তির নতুন ভূমিকা প্রয়োজন।

এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই–এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।

বাংলাদেশের বামপন্থী রাজনৈতিক শক্তির ক্ষেত্রে সময়ের পরিবর্তন সমাজ ও রাষ্ট্রের নতুন বাস্তবতার আলোকে সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি বৃদ্ধি করা আবশ্যক। প্রাচীন স্লোগানের পুনরাবৃত্তি ছাড়া নতুন দর্শন গড়ে তোলা আবশ্যক। এই দর্শন দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সামাজিক বাস্তবতার সাথে যুক্ত।

বর্তমানে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের সামনে। প্রথমত, স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। দ্বিতীয়ত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সংরক্ষণ করা। সেই দুটি লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মগুলো সক্ষম হতে হবে।

সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের মুখে সমাজতান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *