Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অপরাজিত থেকেও বিশ্বকাপে ইরানের বিদায় যেন ‘বিতর্কের গল্প’

Published June 28, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jessica Johnson - todaybangladeshnews.com

Foto : Jessica Johnson - todaybangladeshnews.com

বিশ্বকাপের শুরুতে গোল ছাড়া পরিস্থিতি

Todaybangladeshnews.com – অপর জ ত থ ক ও ব - ফুটবল বিশ্বকাপে হার-জিত সাধারণ বিষয়, তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের খেলার গল্পটা মাঠের বাইরেও বিশেষ করে দীর্ঘ ভ্রমণ ও প্রশাসনিক সমস্যার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পেয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি অবস্থান করতে না পেরে ইরানকে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে মেক্সিকোর তিহুয়ানায় থাকতে হয়েছিল। প্রতিটি ম্যাচের জন্য সীমান্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে হয়েছিল, ম্যাচ শেষে ফিরে আসতে হয়েছিল। এই যাতায়াত দলের বিশ্রাম ও অনুশীলন প্রস্তুতিকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল।

টুর্নামেন্টের শুরুতেই একটি সমস্যার সূত্রপাত হয়েছিল। ইরানি দলের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং সহায়ক স্টাফের কাছে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য নিরাপত্তাজনিত কারণে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। ইরানের কোচ আমির ঘালেনোয়ি পরে ক্ষোভ চেপে রাখেনি। তার ভাষায়, বিশ্বকাপে তাদের দল ছিল 'সবচেয়ে নিপীড়িত'।

সমস্যার সামনে সম্মান রক্ষা

ইরানের অধিনায়ক মেহদি তারেমি বলেন, খেলার চেয়ে ভ্রমণ ও প্রশাসনিক জটিলতার সঙ্গে যেন বেশি লড়াই করতে হয়েছে। তিনি বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন পরিস্থিতিকে 'বিপর্যয়' হিসেবে উল্লেখ করেন। কিন্তু মাঠে ইরান হার মানেনি। তিন ম্যাচের মধ্যে ড্র করে শেষ পর্যন্ত নকআউটের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছিল।

“সিয়াটল, আমাদের স্বাগত জানানোর জন্য ধন্যবাদ। আমরা এখানে সম্মান নিয়ে খেলেছি, এবং সেই সম্মান নিয়েই বিদায় নিচ্ছি।”

বিদায়ের মুহূর্তে ক্ষোভের পাশাপাশি সৌজন্য দেখিয়েছে ইরান। সিয়াটলের ড্রেসিংরুমে তারা হাতে লেখা একটি বার্তা রেখে যায়, যা শুধু একটি ধন্যবাদ নোট নয়, বরং পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে তাদের অভিজ্ঞতার এক সংক্ষিপ্ত প্রতিফলন।

গোল বাতিল হওয়া গোলের প্রভাব

টুর্নামেন্টে কোনো ম্যাচ না হেরেই শেষ হয়ে যায় ইরানের এবারের বিশ্বকাপ। মিশরের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে যোগ করা সময়ে শোজা খলিলজাদেহ বল জালে জড়াতেই ইরানি সমর্থকেরা উদ্‍যাপনে মেতে ওঠেন। সেই গোল হলে ইরানের নকআউট নিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যেত। কিন্তু ভিএআরের দীর্ঘ পর্যালোচনার পর অফসাইডের সিদ্ধান্ত আসে। গোল বাতিল হয়।

নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল, কিন্তু সেটিই কার্যত ইরানের ভাগ্য বদলে