Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

অর্থ বিল পাস, বাড়ল করমুক্ত আয়ের সীমা; প্রত্যাহার হলো কয়েকটি প্রস্তাব

Published June 30, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Brown - todaybangladeshnews.com

Foto : Mary Brown - todaybangladeshnews.com

অর্থ বিল পাস, করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি; প্রস্তাব প্রত্যাহার হয়েছে

Todaybangladeshnews.com – অর থ ব ল প স ব - জাতীয় সংসদে অর্থ বিল-২০২৬ পাস হয়েছে, যাতে করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং কয়েকটি প্রস্তাব প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার সংসদে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি উত্থাপন করেন এবং স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে বিলটি গৃহীত হয়।

করমুক্ত আয় সীমা বৃদ্ধি

বাজেট আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে অর্থমন্ত্রী করমুক্ত আয় সীমার বৃদ্ধির প্রস্তাব আনেন। সংশোধিত বিল অনুযায়ী, আগামী পাঁচ অর্থবছরে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয় সীমা নিম্নরূপ নির্ধারিত হয়েছে:

  • ২০২৬-২৭ অর্থবছরে—৪ লাখ টাকা
  • ২০২৭-২৮ অর্থবছরে—৪ লাখ টাকা
  • ২০২৮-২৯ অর্থবছরে—৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা
  • ২০২৯-৩০ অর্থবছরে—৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা
  • ২০৩০-৩১ অর্থবছরে—৫ লাখ টাকা

এ পর্যন্ত প্রস্তাবিত বিলে আয় সীমা ছিল যথাক্রমে ৩ লাখ ৭৫ হাজার, ৪ লাখ এবং ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অর্থমন্ত্রী জানান, করদাতাদের জটিলতা কমানোর জন্য মৌজা মূল্যে নিবন্ধিত জমির পরিবর্তে বাজারমূল্য ব্যবহার করা হয়েছে।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জনমনে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ায় সরকার জনমতের প্রতি সম্মান জানিয়ে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

প্রস্তাব প্রত্যাহার

বিনিয়োগ তথ্য প্রকাশের সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্য দুটি প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়েছে, যেমন:

  • বেশির ভাগ ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব
  • বণ্টন দলিল ও নামজারি নিবন্ধনে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব

সংসদে অর্থ বিলে আরও কয়েকটি কর ও শুল্ক পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আয়কর হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারিত হয়েছে। পার্বত্য তিন জেলা এবং সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কর সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

শিল্প খাতে ব্যবহৃত কাঁচামাল এবং যন্ত্রপাতি সংক্রান্ত শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে। দেশীয় শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ওষুধ ও অন্যান্য উৎপাদন খাতে ব্যবহৃত মধুর আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। পিভিসি ও পিইটি রেজিন আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

ফায়ার ডোর তৈরির কাঁচামাল এব