Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

আওয়ামী লীগ আমলে বঞ্চিত তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তা পেলেন বিশেষ সুবিধা

Published July 2, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Brown - todaybangladeshnews.com

Foto : Mary Brown - todaybangladeshnews.com

খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ আওয়ামী লীগের আমলে তিন বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তার আবেদন পর্যালোচনা করা হয়েছে

Todaybangladeshnews.com – আওয় ম ল গ আমল বঞ চ - বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীতে রাজনৈতিক বিচার ও অবিচারের শিকার হওয়া ১৫০ জন অফিসারকে পুনর্বাসন এবং স্বাভাবিক অবসর সুবিধা প্রদানের সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে তা ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনটি সম্প্রতি কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই আদেশে বলা হয়েছে, আগের সরকারের আমলে চাকরিতে বৈষম্য ও প্রতিহিংসা প্রাপ্ত ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী সদর দপ্তরগুলো আবেদন গ্রহণ করেছিল। তারপর গত ৩ মে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি এসব প্রস্তাব বিস্তারিত পরীক্ষা করে।

সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে সেই কমিটির চূড়ান্ত সুপারিশের ভিত্তিতে। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন শাখার অফিসারদের যোগ্যতানুযায়ী স্বাভাবিক অবসর এবং ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি প্রদান করা হবে। বিধি অনুযায়ী তাদের বকেয়া বেতন-ভাতা, আর্থিক সুবিধা এবং বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হবে।

সর্বমোট ১৫০ জন কর্মকর্তাকে সরকারি আদেশের আওতায় আবেদন পর্যালোচনার ফলে তাদের স্বাভাবিক অবসর, বাধ্যতামূলক অবসর বা পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ১১৫ জন, নৌবাহিনীতে ২১ জন এবং বিমানবাহিনীতে ১৪ জন অফিসার এ সিদ্ধান্তে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে এই আদেশটি জনস্বার্থে অবিলম্বে কার্যকর হবে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এর পরিপ্রেক্ষিতে বাস্তবায়ন করবে। তাছাড়া ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করেছে।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আওয়ামী লীগের আমলে বরখাস্ত এবং অব্যাহতিপ্রাপ্ত অফিসারদের চাকরি ফিরে পেতে আবেদন করেন। পরিপ্রেক্ষিতে সরকার প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে।

কমিটি তাদের আবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের কাছে সুপারিশ দেয়। কমিটি তাদের কাছ থেকে গৃহীত আবেদন পর্যালোচনা করে মান-মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা পুনর্বহালের লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।