আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক অভিযান, নিহত ২৯
অভিযানের লক্ষ্য ছিল জঙ্গি সংগঠনের ঘাঁটি
আফগ ন স ম ন ত প – আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে যাতে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে আল জাজিরা প্রতিবেদনে ঘোষণা করা হয়েছে। অভিযানটি পাকিস্তানের চলমান অপারেশন গজব-লিল হকের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই অভিযান খাইবার পাখতুনখোয়া, বেলুচিস্তান ও সিন্ধ প্রদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় চালানো হয়েছে, যেখানে টিটিপি ও জামাতুল আহরারের ঘাঁটি লক্ষ্য করা হয়েছে। এই অভিযান আফগান সীমান্ত এলাকায় সামরিক সংঘর্ষের পর নেওয়া হয়েছে যেখানে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক বছরগুলোতে স্থায়ী ক্ষুব্ধতার মুখে পড়েছে।
আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের অভিযানের প্রাথমিক কারণ হল সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়া। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এক্সে পোস্টে বলেন, “পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত এলাকার স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের জন্য এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।” এই অভিযান জঙ্গি গোষ্ঠীদের ঘাঁটি থেকে তাদের সম্প্রসারণ বন্ধ করতে এবং সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা বজায় রাখতে পাকিস্তান সরকারের চাহিদা ছিল।
হামলার পর অভিযান নেওয়া হয়েছিল
আইএসপিআর জানিয়েছে যে আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক অভিযানের সিদ্ধান্ত করাচিতে সোমবার রাতে সংঘটিত হামলার পর গ্রহণ করা হয়। ওই হামলায় তিনজন পাকিস্তানি কর্মকর্তা নিহত হন, যার মধ্যে আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের অভিযান চালানোর বিষয়ে তাদের কিছু প্রতিবেদনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর স্পেশাল ইউনিটগুলি কিছু ঘটনার পর এই অভিযান চালায়। তাদের লক্ষ্য ছিল টিটিপি ও জামাতুল আহরারের সম্পূর্ণ ঘাঁটি থেকে তাদের সুরক্ষা বজায় রাখা এবং আফগান সীমান্ত এলাকায় সংঘটিত হামলার শিকড় দূর করা। অভিযানে তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে এবং একজন আহত হয়ে গ্রেপ্তার হয়। গ্রেপ্তার করা ব্যক্তি জামাতুল আহরারের সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন যা আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি সামরিক অভিযানের কার্যকারিতা প্রমাণ করে।
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক বিপদের মুখে
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক বিশেষ আফগান সীমান্ত এলাকার মাধ্যমে বিপাকে পড়েছে যেখানে টিটিপি গোষ্ঠী পাকিস্তানি মুখ্যালয়ের সুরক্ষার জন্য সহায়তা দিচ্ছে বলে দাবি করা হয়। অভিযানে টিটিপি শীর্ষ পর্যায়ের কমান্ডার খান ফারোশ আকা জাবাল মৃত হন, যার ফলে আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক অভিযান আরও গুরুতর হয়ে ওঠে।
সরকার সাম্প্রতিক আফগান সীমান্ত এলাকার অস্থিতিশীলতা কারণে পাকিস্তান সামরিক অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই অভিযানের সাথে সামরিক ও রাজনৈতিক বিষয়গুলি আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক কার্যকলাপের প্রভাব দেখা দিয়েছে। তবে আফগানিস্তান সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে যে তাদের আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক অভিযান �
