আমি চাই দেশে বিমান থাকবে ২০০টির বেশি: বিমানমন্ত্রী
দেশে ২০০টির বেশি উড়োজাহাজের সক্ষমতা গড়ার প্রত্যাশা
Todaybangladeshnews.com – আম চ ই দ শ ব ম - আম চ ই দ শ ব—দেশের বিমানবহরে ভবিষ্যতে ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ দেখতে চান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তাঁর মতে, দেশের তরুণ প্রজন্মের উন্নয়ন, মেধা ও ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমান পরিবহন খাতের সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।
রোববার ১১ অক্টোবর দুপুরে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
“আমি চাই বিমান শুধু ৩৫টা না, আমাদের ছেলেমেয়েরা যেভাবে উন্নত হচ্ছে, মেধা অনুযায়ী আমি চাই এই দেশে বিমান থাকবে ২০০টিরও বেশি।”
৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা
মন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে এসব উড়োজাহাজ দেশে আসা শুরু হতে পারে এবং ২০৩৬ থেকে ২০৩৭ সাল পর্যন্ত বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
আম চ ই দ শ ব লক্ষ্যটি কেবল নতুন উড়োজাহাজ কেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি দেশের বিমান পরিবহন ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা ও বিস্তৃত করার দীর্ঘমেয়াদি ভাবনার অংশ। বর্তমানে বহরে থাকা উড়োজাহাজগুলো সময়ের সঙ্গে পুরোনো হয়ে যাবে। সে কারণে যাত্রীসেবা সচল রাখা এবং ভবিষ্যতের চাহিদা মেটাতে এখন থেকেই নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার প্রস্তুতি প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আন্তর্জাতিক গন্তব্য ও ফ্লাইট স্লট বাড়ানোর গুরুত্ব
মন্ত্রী বলেন, ৩৫টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনাকে বৃহত্তর বিমানবহর সম্প্রসারণের প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে। ধাপে ধাপে সক্ষমতা বাড়িয়ে একসময় ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ পরিচালনার সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের মতো গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। এ জন্য বিভিন্ন দেশে ফ্লাইট পরিচালনার প্রয়োজনীয় স্লট নিশ্চিত করতে হবে। আম চ ই দ শ ব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক রুট, যাত্রীচাহিদা এবং পরিচালনাগত সক্ষমতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
পর্যটন খাতের উন্নয়নেও উদ্যোগ
বিমান পরিবহন খাতের পাশাপাশি পর্যটনশিল্প বিকাশের কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি নেত্রকোণার বিরিশিরিকে জাতীয় পর্যায়ের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা ও বিমান সংযোগ বাড়লে দেশের পর্যটন সম্ভাবনাও আরও বিস্তৃত হতে পারে।
প্রশ্নোত্তর
৩৫টি নতুন উড়োজাহাজ কবে দেশে আসতে পারে?
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩১ সাল থেকে উড়োজাহাজগুলো পর্যায়ক্রমে দেশে আসা শুরু হতে পারে। ২০৩৬ থেকে ২০৩৭ সাল পর্যন্ত এগুলো বহরে যুক্ত হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
কেন নতুন উড়োজাহাজ প্রয়োজন?
বর্তমান বহরের উড়োজাহাজগুলো একসময় পুরোনো হয়ে যাবে। নিয়মিত বিমানসেবা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতের যাত্রীচাহিদা পূরণে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করা প্রয়োজন।
২০০টির বেশি উড়োজাহাজের লক্ষ্য কী?
আম চ ই দ শ ব লক্ষ্যটি দেশের বিমান পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদে যাত্রীসেবা উন্নত করার প্রত্যাশার সঙ্গে সম্পর্কিত।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is আম চ ই দ শ ব ম?আম চ ই দ শ ব ম is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does আম চ ই দ শ ব ম matter?আম চ ই দ শ ব ম matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.