Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

আর্জেন্টিনা বিদ্বেষীদের বিতাড়িত করতে অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছেন প্রেসিডেন্ট মিলেই

Published July 31, 2026 · Updated July 31, 2026 · By Lisa Hernandez - todaybangladeshnews.com

Foto : Lisa Hernandez - todaybangladeshnews.com

মিলেইের অধ্যাদেশ: আর্জেন্টিনা বিরোধী প্রচারণায় বিদেশীদের বিতাড়ন

Todaybangladeshnews.com – আর জ ন ট ন ব দ - প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে আর জ ন ট ন ব-এর বিরুদ্ধে চলমান সমালোচনা মোকাবিলায় এক জরুরি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এই আদেশের মাধ্যমে দেশটির বিরুদ্ধে 'ঘৃণা' ছড়ানো বা জাতীয় প্রতীককে অবমাননা করা বিদেশিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ, তাদের দেশে ফেরত পাঠানো এবং ভিসা বাতিল করার ক্ষমতা সরকারের হাতে আসছে।

বিশ্বকাপের পর প্রেক্ষাপট

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের পর আর জ ন ট ন ব-কে ঘিরে যে আন্তর্জাতিক সমালোচনা গড়ে উঠেছে, তার প্রসঙ্গ টেনে আনেন প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। যদিও ফাইনালে উঠেও স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হওয়ার পরও দলের সাফল্য বিতর্কের মুখে পড়েছে। খেলোৗা ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগ ওঠার পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মিলেই এসব সমালোচনাকে আর জ ন ট ন ব-এর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার জন্য একটি পরিকল্পিত প্রচারণা হিসেবে তুলে ধরেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, ব্রাজিল, মেক্সিকো এবং মার্কিন ডেমোক্রেটিক পার্টির বামপন্থী গোষ্ঠীগুলো অর্থায়ন করছে এই আর্জেন্টিনা-বিরোধী প্রচারণা।

আদেশের বিস্তারিত বিধান

বৃহস্পতিবার জারি করা এই আদেশের বৈধতা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। আদেশের ঘোষণা দিতে গিয়ে প্রেসিডেন্টের কার্যালয় বিশ্বকাপের পর তৈরি হওয়া সমালোচনার কথা উল্লেখ করেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে আর জ ন ট ন ব ও আর জ ন ট ন ববাসীর বিরুদ্ধে যে বৈরী আচরণ দেখা গেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সরকার আবারও স্পষ্ট করে জানাচ্ছে- দেশ, দেশের নাগরিক ও জাতীয় প্রতীকের সুরক্ষার প্রশ্নে কোন আপোস হবে না। যেকেউ আর জ ন ট ন ব-এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে, তাকে আমাদের দেশে স্বাগত জানানো হবে না।

ফিফার তদন্ত ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

গত ১৯ জুলাই বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে আর জ ন ট ন ব-এর পরাজয়ের পর মাঠে খেলোৗাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এই ঘটনার ফলে ফিফা আর জ ন ট ন ব-এর তিন খেলোৗা ও এক কোচের বিরুদ্ধে অসদাচরণের তদন্ত শুরু করেছে। এছাড়া গ্যালারিতে বৈষম্যমূলক স্লোগান ও বার্তার বিষয়েও ফিফা পৃথক অনুসন্ধান চালাচ্ছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

মিলেইয়ের এই কটূক্তি ও অভিযোগের জের ধরে ব্রাজিল ইতিমধ্যেই নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে বুয়েন্স আয়রস থেকে ফেরত নিতে তলব করেছে।

আদেশের অস্পষ্টতা ও অনিশ্চয়তা

জরুরি অধ্যাদেশে রাজনৈতিক, একাডেমিক বা নাগরিক গঠনমূলক সমালোচনাকে সংবিধান স্বীকৃত হিসেবে ছাড় দেওয়া হলেও 'ঘৃণা' বলতে ঠিক কী বোঝানো হচ্ছে তা স্পষ্ট করা হয়নি। ফলে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ পর্যটক বা বিদেশি বাসিন্দাদের সামাজিক মাধ্যমের ইতিহাস পরীক্ষা করবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।