Uncategorized

আয়ু বাড়লেও কমছে সুস্থ জীবনযাপনের সময়: গবেষণা

আয় ব ড়ল ও কমছ স স - বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু বাড়লেও সুস্থভাবে কাটানোর সময় সেই তালে তাল মেলাচ্ছে না। এর ফলে অসুস্থতায় কাটানো সময় বা 'মরবিডিটি গ্যাপ'

Desk Uncategorized
Published July 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Jessica Jones - todaybangladeshnews.com
Table of Contents
  1. সুস্থ জীবনযাপনের সময় কমে যাচ্ছে, যদিও আয়ু বাড়ছে
  2. Related SEO Topics
  3. Frequently Asked Questions

সুস্থ জীবনযাপনের সময় কমে যাচ্ছে, যদিও আয়ু বাড়ছে Todaybangladeshnews.com – আয় ব ড়ল ও কমছ স স – বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু বাড়লেও সুস্থভাবে কাটানোর

সুস্থ জীবনযাপনের সময় কমে যাচ্ছে, যদিও আয়ু বাড়ছে

Todaybangladeshnews.com – আয় ব ড়ল ও কমছ স স – বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু বাড়লেও সুস্থভাবে কাটানোর সময় সেই তালে তাল মেলাচ্ছে না। এর ফলে অসুস্থতায় কাটানো সময় বা ‘মরবিডিটি গ্যাপ’ ক্রমশ বাড়ছে। ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশন (আইএইচএমই) পরিচালিত গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ ২০২৩ স্টাডি থেকে এই তথ্য সামনে এসেছে। আন্তর্জাতিক চিকিৎসাবিজ্ঞান সাময়িকী দ্য ল্যানসেট পাবলিক হেলথে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।

আয়ু বৃদ্ধি, সুস্থ জীবনযাপনের সময় কম বৃদ্ধি

গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৯০ সালে বিশ্বের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৬৪.৬ বছর। ২০২৩ সালে তা বেড়ে ৭৩.৮ বছরে পৌঁছেছে। একই সময়ে সুস্থ জীবনযাপনের গড় আয়ু ৫৫.৯ বছর থেকে ৬৩.১ বছরে উন্নীত হয়েছে। অর্থাৎ, মানুষের আয়ু বাড়লেও সুস্থভাবে কাটানোর সময় তুলনামূলক কম বেড়েছে।

এর ফলে অসুস্থতা বা অক্ষমতায় কাটানো সময় বা মরবিডিটি গ্যাপ ১৯৯০ সালের ৮.৮ বছর থেকে ২০২৩ সালে ১০.৭ বছরে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে একজন মানুষ তার জীবনের গড়ে ১৪.৫ শতাংশ সময় অসুস্থ অবস্থায় কাটায়, যেখানে ১৯৯০ সালে এই হার ছিল ১৩.৬ শতাংশ।

উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে প্রবণতা সবচেয়ে বেশি

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে একজন মানুষ গড়ে ১৪ বছর, অস্ট্রেলিয়ায় ১৩.৯ বছর এবং কানাডায় ১৩.৭ বছর অসুস্থতায় জীবন কাটায়। অন্যদিকে সাব-সাহারান আফ্রিকায় এই ব্যবধান তুলনামূলক কম, গড়ে ৯ বছর।

নারীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। প্রায় সব অঞ্চলেই নারীরা পুরুষদের তুলনায় বেশি দিন বাঁচলেও অসুস্থ অবস্থায় কাটানো সময়ও তাদের বেশি। গবেষণা অনুযায়ী, নারীদের গড়ে ১২.১ বছর এবং পুরুষদের ৯.৩ বছর অসুস্থতায় কাটে।

দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যসমস্যা ও ঝুঁকির কারণ

বিশ্বব্যাপী অসুস্থ অবস্থায় কাটানো সময়ের ৫৭.৪ শতাংশের জন্য দায়ী কয়েকটি দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যসমস্যা। এর মধ্যে রয়েছে মাস্কুলোস্কেলেটাল রোগ, বিশেষ করে কোমরব্যথা, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, শ্রবণশক্তি হ্রাস এবং দুর্ঘটনাজনিত আঘাত। পাশাপাশি উচ্চ রক্তে গ্লুকোজ, অতিরিক্ত ওজন, শিশু ও মাতৃ অপুষ্টি এবং তামাক ব্যবহারকে প্রধান ঝুঁকির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

ভবিষ্যতে জনস্বাস্থ্যের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে শুধু মানুষের আয়ু বাড়ানো নয়, বরং সুস্থভাবে বেঁচে থাকার সময় বৃদ্ধি করা। এজন্য রোগ প্রতিরোধ, দীর্ঘস্থায়ী রোগের কার্যকর ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যায় আরও বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন।

— ড. ক্রিস্টোফার মারে, আইএইচএমইর পরিচালক

বিশ্বের প্রায় সব দেশেই নারীরা পুরুষদের তুলনায় বেশি দিন বাঁচেন, তবে সেই অতিরিক্ত সময়ের বড় অংশই তারা অসুস্থ অবস্থায় কাটান।

— ক্যাথরিন বিসিগনানো, গবেষণার সিনিয়র সায়েন্টিফিক রাইটার

বাংলাসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য পরামর্শ

যদিও গবেষণায় বাংলাদেশের পৃথক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য শিশু ও মাতৃ অপুষ্টি, বায়ুদূষণ এবং দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের মতো দেশে জনসংখ্যার গড় বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং পুনর্বাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা জরুরি হয়ে উঠছে।

Frequently Asked Questions

Apa itu আয় ব ড়ল ও কমছ স স?

আয় ব ড়ল ও কমছ স স adalah topik utama yang dibahas di artikel ini dengan konteks praktis agar pembaca memahami informasinya dengan jelas.

Mengapa আয় ব ড়ল ও কমছ স স penting?

আয় ব ড়ল ও কমছ স স penting karena membantu pembaca membandingkan pilihan, menghindari kesalahan umum, dan mengambil keputusan yang lebih tepat.

Bagaimana cara memakai panduan আয় ব ড়ল ও কমছ স স ini?

Gunakan poin utama, contoh, dan tautan terkait di halaman ini sebagai rujukan awal, lalu cek detail terbaru sebelum mengambil keputusan final.

Leave a Comment