Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ইতালিতে একই পরিবারের তিনজনকে হত্যা, বাংলাদেশি সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ

Published June 28, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Susan Taylor - todaybangladeshnews.com

Foto : Susan Taylor - todaybangladeshnews.com

ইতালিতে একই পরিবারের তিনজনকে হত্যা, বাংলাদেশি সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ

Todaybangladeshnews.com – ইত ল ত একই পর ব র - রোমে একই পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে এবং বাংলাদেশি নাগরিককে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইতালি পুলিশ তার ছবি প্রকাশ করে জনসাধারণের সহযোগিতা আহ্বান করেছে।

হত্যাকাণ্ডের পরিচয়

ঘটনাটি রোমের অরেলিও জেলার কাসালোত্তি এলাকার ভিয়া মন্তিলিও সড়কে ঘটে। নিহতরা হলেন ৩৯ বছর বয়সী কামাল উদ্দিন, তার ৩৮ বছর বয়সী স্ত্রী আরজু এবং তাদের ছয় বছর বয়সী মেয়ে অ্যালিসিয়া। সবাই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। এ হামলায় পরিবারের বড় ছেলে অনিয়ন গুরুতর আহত হন।

অনিয়নকে রোমের পলিক্লিনিকো জেমেলি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার শরীরে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে চিকিৎসকদের মতে তিনি এখন শঙ্কামুক্ত।

তদন্ত প্রক্রিয়া

রোম পুলিশের মোবাইল স্কোয়াড হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তদন্তকারীদের ধারণা, হত্যাকারী পরিবারের পরিচিত হওয়ায় তাকে স্বেচ্ছায় ঘরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছিল।

ফরেনসিক দল ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। বাসার দেয়ালে রক্তমাখা হাতের ছাপ এবং সিঁড়িতে আহত ছেলের পালিয়ে যাওয়ার চিহ্ন পাওয়া গেছে। সিসিটিভি ফুটেজ ও নিহতদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে ঘটনার আগের সময়ের গতিবিধি বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

পুলিশের মতে, হত্যাকারী ধারালো চপারজাতীয় অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি চপারও জব্দ করা হয়েছে, যা হত্যার সাধারণ অস্ত্র বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে হত্যার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিশ্চিত হয়নি।

সন্দেহভাজনের পরিচয়

ইতালি স্টেট পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনের ছবি প্রকাশ করেছে। তার জন্ম হয়েছিল ১০ মে ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশে। সন্দেহভাজনের অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে রোম পুলিশের মোবাইল স্কোয়াডে যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে তার ছবি প্রচার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে হত্যা ও গুরুতর শারীরিক আঘাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে। রোম পাবলিক প্রসিকিউটরস অফিসের তত্ত্বাবধানে হোমিসাইড ইউনিট তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর জিউসেপ্পে ক্যাসচিনি তদন্ত তদারকি করছেন। তদন্ত দল হত্যাকারী জড়িত ব্যক্তিকে দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে।