ঈদযাত্রায় নারীদের জন্য প্রতিটি ট্রেনে আলাদা কামরা রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের

f3083823-3546-4919-951e-7f59c1be5ce3-0

ঈদযাত্রায় নারীদের জন্য প্রতিটি ট্রেনে আলাদা কামরা রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের

ঈদয ত র য় ন র দ – ঈদয ত র য় ন র দ এর সময় নারী যাত্রীদের জন্য প্রতিটি ট্রেনে আলাদা কামরা সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এই নির্দেশ গৃহীত হয়েছে মঙ্গলবার (১২ মে) সম্পূরক আবেদনের শুনানির পর বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত আদালত। হাইকোর্টের বিচারকদের মতে, ঈদযাত্রার সময় নারী যাত্রীদের প্রতি ট্রেনে বিশেষ সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে, এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ঈদুল আজহার উপলক্ষে অতিক্রমকারী ট্রেনগুলোতে নারী যাত্রীদের জন্য পৃথক কামরা সংরক্ষণ করতে হবে। এটি হাইকোর্টের একটি মূল নির্দেশ যা পরিবহন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটাবে।

আইন বিষয়ক তর্ক ও আদালতের বিচারপতির প্রতিক্রমণ

ঈদযাত্রার আবেদনে নিয়ে আসা হয়েছিল যে নারী যাত্রীদের জন্য পৃথক কামরার বিধান প্রতিটি ট্রেনে বাস্তবায়ন করা হয়নি। আইনজীবী মো. আজমল হোসেন খোকন আবেদনের পক্ষ থেকে আদালতে প্রমাণ দেখানোর চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, ঈদযাত্রার সময় সারাদেশে নারী যাত্রীদের জন্য একটি বিশেষ আবেদন জানানো হয়েছিল যেহেতু এই সময় ট্রেনগুলোতে যাত্রী সংখ্যা বেশি হয়। তার মতে, ১৮৯০ সালের রেলওয়ে আইনের ৬৪ ধারা অনুযায়ী নারী যাত্রীদের জন্য বিশেষ কামরা সংরক্ষণ করা জরুরি। আবেদনে আরও অনুরোধ করা হয়েছিল যে প্রতিটি ৫০ মাইলের বেশি দূরত্ব অতিক্রমকারী ট্রেনে নারী যাত্রীদের জন্য আলাদা শৌচাগার রাখা আবশ্যক।

“ঈদযাত্রায় নারী যাত্রীদের দুর্ভোগ কমানোর জন্য আইনের বিধান বাস্তবায়নের প্রয়োজন হয়। পৃথক কামরা সংরক্ষণ করলে যাত্রীদের সুরক্ষা এবং আরাম বৃদ্ধি পাবে।”

আবেদনের মূল প্রমাণ এবং আদালতের বিচারপতির মত

ঈদযাত্রার আবেদনে তুলে ধরা হয়েছিল যে বর্তমানে নারী যাত্রীদের জন্য পৃথক কামরা সংরক্ষণ করা হয়নি এবং এটি বিশেষ করে উপলক্ষে নারী যাত্রীদের আরাম বৃদ্ধি করতে পারে। আইনজীবী মো. আজমল হোসেন খোকন প্রমাণ দেখানো হয়েছিল যে ঈদযাত্রার সময় নারী যাত্রীদের জন্য বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। আদালতের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের বলেন, “ঈদযাত্রায় নারী যাত্রীদের জন্য আলাদা কামরা রাখার বিধান রয়েছে কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর করা হয়নি। এটি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে নারী যাত্রীদের জন্য পৃথক স্থান সংরক্ষণ করা হয়।” তিনি এই নির্দেশের মূল আস্থাবান হয়েছেন কারণ এটি পরিবহন ব্যবস্থার প্রতি সংবেদনশীলতা দেখায়।

২০২১ সালে আইনজীবী মমতাজ পারভীন হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন এবং সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গত ১০ মার্চ রুল জারি করেন। এই রুলের �

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *