Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

একটু আশ্রয় আর দুবেলা খাবারই এখন বিনোদ বিশ্বাসের শেষ চাওয়া

Published June 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Thomas Thomas - todaybangladeshnews.com

Foto : Thomas Thomas - todaybangladeshnews.com

একটু আশ্রয় আর দুবেলা খাবারই এখন বিনোদ বিশ্বাসের শেষ চাওয়া

Todaybangladeshnews.com – একট আশ রয় আর দ ব ল - বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের কোড়ামারা গ্রামে বাস করেন বিনোদ বিশ্বাস। তার জীবন চরম অসহায়তার অভিজ্ঞতা। আগে তিনি একটু আশ্রয় আর দুবেলা খাবারের স্বপ্ন চিন্তা করতেন, কিন্তু এখন তার শেষ চাওয়া হলো কেবল তা। রোগ আর নিঃসঙ্গতার ছায়ায় তিনি আর বাঁচতে পারছেন না। সময়ের নির্মম পরিহাসে পাঁচ সন্তানের সংসার থেকে তার দূর্দশা বর্তমান।

শরীর ও সামাজিক কষ্টের ভার

বিনোদ বিশ্বাসের দুই হাত প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে গেছে। এটি তার শ্রমের কাজ করার সামর্থ্য কাটিয়ে দিয়েছে। আর বয়সের ভারে তার শরীর ভেঙে পড়েছে। সম্প্রতি তার স্ত্রী ছেড়ে চলে গেছেন, যার ফলে এখন দুই ছেলে ভারতে ঋণের চাপে পড়েছে। তাদের জুড়ে বিনোদ বিশ্বাসের শেষ চাওয়া হলো দুবেলা খাবার।

গ্রামে সহায়তার কাছাকাছি

প্রতিবেশী মামুন শেখ বলেন, বিনোদ বিশ্বাসের জীবন ছিল একটু আশ্রয় আর দুবেলা খাবারের দ্বারা সমৃদ্ধ। কিন্তু এখন তার জীবন আর নিঃসঙ্গতার পরিচয়। কোনো ধরনের কাজ ছাড়া তিনি দিন রাত প্রতিটি সময় ভোগ করছেন। সাধারণত আমরা গ্রামের মানুষ সাধ্যমতো সহায়তা করি। কিন্তু নিয়মিত খাবার ও আশ্রয় দিয়ে তার জীবন চলছে কেবল মামুলি সমাজের বৃহত্তর সমাধান আছে বলে আশা করছি।

বর্তমানে তার ঝুপড়ি ঘরে বাস করার কারণে বৃষ্টি এলে ভিজতে হয়। ঝড় আসলে দিনগুলো আতঙ্কে কাটে। প্রতিটি ঋতু তার জন্য নতুন দুর্ভোগ। সমাজের বিভিন্ন সদস্য তার খাবার দিয়ে প্রতিটি দিন তার জীবন সম্ভব করছে। কেউ খাবার দিলে তিনি খায়, না দিলে তার কাছে অন্য উপায় নেই।

বিনোদ বিশ্বাস বলেন, আগে তার জীবন ছিল একটু আশ্রয় আর দুবেলা খাবারের সামান্য আশা। কিন্তু এখন তার জীবন নিজে ছাড়া আর কিছু নেই। তার কন্যা এখনও বাস করছে দুই ছেলে ছাড়া। পরিবার ভেঙে পড়ার পর তার শেষ চাওয়া হলো আর দুবেলা খাবার।

ঝুপড়ি ঘর থেকে বের হতে চাইলে তিনি একটু আশ্রয় পেতে চাইছেন। আবেগ ও অভিজ্ঞতার কারণে তার দুর্দশা নিয়ন্ত্রণের বাইরে। সরকারি সহায়তা ও গ্রামে স্থানীয় মানুষের সহায়তার পরিপ্রেক্ষিতে তার জীবন পুনঃনির্মাণ করা সম্ভব।

স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল বাবু হাওলাদার বলেন, আমরা তার সাহায্য করছি আগ্রহের সাথে। কিন্তু একটু আশ্রয় আর দুবেলা খাবারের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো ধরনের স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিলে তিনি উপকৃত হবেন।

বিনোদ বিশ্বাসের শেষ চাওয়া হলো একটু আশ্রয় আর দুবেলা খাবার। তিনি প্রতিটি দিন মানুষের হাতে নির্ভর করছেন। তার অবস্থা বর্তমানে কোনো ক্ষেত্রে স্থায়ী নয়, কেবল আতঙ্কের ছায়ায় চলছে। সমাজে সবার আস্থা এখনও তার প্রতি রয়েছে। আর তার জীবন যে কেবল একটু আশ্রয় আর দুবেলা খাবার ছাড়া অসম্ভব।