Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কলকাতার হোটেলে ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু: আগুন লাগার পরেও হোটেল কর্তৃপক্ষের দেখা মেলেনি

Published August 19, 2026 · Updated August 19, 2026 · By James Miller - todaybangladeshnews.com

Foto : James Miller - todaybangladeshnews.com

কলকাতার নিউ মার্কেটে হোটেল অগ্নিকাণ্ডে ৯ বাংলাদেশি প্রাণহানি

Todaybangladeshnews.com – কলক ত র হ ট ল ৯ - মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি বহুতল ভবনে বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত দুটোর আশপাশে প্রজ্বলিত আগুনে প্রাণ গেল ন'জনের। মৃতদের সবাই বাংলাদেশি নাগরিক — ছয়জন পুরুষ, দুইজন নারী ও এক শিশু। তবে এখনও পর্যন্ত তাদের পরিচয় প্রকাশ পায়নি।

ঘটনার সময়রেখা

ভবনটির প্রতিটি তলায় আলাদা আলাদা হোটেল বা গেস্ট হাউস রয়েছে, ঘরগুলো অত্যন্ত সংকীর্ণ। আগুন প্রথম ধরা পড়ে তিনতলার একটি হোটেলে। প্রাথমিক ধাপে প্রজ্বলনের তীব্রতা তেমন ছিল না, কিন্তু ধোঁয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক মিনিটেই পুরো ভবন ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়।

মঙ্গলবার রাতের বেলা অতিথিরা ঘুমাচ্ছিলেন। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী সাধারণত বিদেশ থেকে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে আসা ভ্রমণকারীরা এই ভবনের হোটেলগুলোতে অবস্থান নেন। রাত সাড়ে বারোটার পরেই আগুন শুরু হয়।

অতিথিদের সাক্ষ্য

রামপুরহাট থেকে মঙ্গলবার রাতে দুই বন্ধু ভবনটির চারতলায় একটি গেস্ট হাউসে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে ইজাজ আহমেদ জানান, খাবার শেষ করে ঘুমাতে গিয়েছিলেন সাড়ে বারোটার দিকে। রাত ২:১৫ নাগাদ দুই মহিলার আর্তনাদে ঘুম ভাঙে। দরজা খুলতেই ঘরে ধোঁয়া ঢুকে যায়।

ঘরের বারান্দাটি খুব সরু। ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল সেটা।

অন্য এক অতিথি দমকলবাহিনীর উপস্থিতি ছাড়া বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ছিল না বলে দাবি করেন।

দমকলকর্মীরা না-এলে আমরাও হত বাঁচতে পারতাম না!

কয়েকজন অতিথি ওয়াশরুমে আশ্রয় নিয়ে জানলা ভাঙার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত দমকলবাহিনী ভবন থেকে বন্দীদের উদ্ধার করে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব

অতিথিদের দাবি, আগুন ধরা পড়ার পরেও হোটেল কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মী দেখা দেয়নি। ভবনে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ঢোকা-বেরোয়ার পথ একটাই, সেটিও অত্যন্ত সংকীর্ণ। কোনো ইমার্জেন্সি এক্সিটও ছিল না।

ভবনের সর্বোচ্চ তলায় অবস্থানকারী এক পরিবারকেও উদ্ধার করা হয়েছে। ওই পরিবারের এক নারী জানান, তাদের নিচে নামানো হওয়ার সময় আগুন নিভে গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, বারবার কর্তৃপক্ষকে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা স্থাপনের অনুরোধ জানানো হয়েছিল, কিন্তু কেউ শুনেনি। প্রশাসনে অভিযোগ দিলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি।

রাজনৈতিক অভিযোগ

বিজেপি নেতা সন্তোষ পাঠক দাবি করেন, ভবনগুলো নিয়ম মেনে নির্মিত হয়নি। রুম সংখ্যা বাড়ানোর জন্য পিলার কেটে জায়গা বাড়ানো হয়েছে, ফলে ভবনটি কাঠামোগতভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

এগুলো মূলত আবাসিক ভবন ছিল। সেটাকে বেআইনি ভাবে বাণিজ্যিক করা হয়েছে।

এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে — পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছাড়া হোটেলগুলো কীভাবে চালু ছিল? মালিকদের কাছে দমকল বিভাগের ছাড়পত্র ছিল কি না? ঘুপচি ঘরে নিরাপত্তার কোনো ভাবনা ছিল কি না?

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is কলক ত র হ ট ল ৯?

কলক ত র হ ট ল ৯ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does কলক ত র হ ট ল ৯ matter?

কলক ত র হ ট ল ৯ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.