Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

চীনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পর্যটনের গল্প

Published June 10, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Brown - todaybangladeshnews.com

Foto : Mary Brown - todaybangladeshnews.com

চীনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পর্যটনের গল্প

Todaybangladeshnews.com – চ ন র স স ক ত - বেইজিং থেকে ট্রেনে যাওয়ার পর প্রথমবার গ্রেট ওয়াল দেখার অভিজ্ঞতি হয়েছিল। সিঁড়ি বেয়ে উঠতে শুরু করার সময় পায়ের নিচে প্রতিটি পাথর ফিসফিস করে বলেছিল এখানে দুই হাজার বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে। একটি সকালে কুয়াশা সরে এলে প্রাচীরের বাঁকগুলি চোখে পড়েছিল। সেখানে আমি চীনের ঐতিহ্য করে হাত বোলানো যায় বলে অনুভব করেছিলাম। আকাশভাঙা আতশবাজি হিসেবে তার কথা বলা যায়। চীনের সাংস্কৃতিক পর্যটনের মূল শক্তি হলো ইতিহাস ছোঁয়া যাওয়া।

২০২৪ সালের শীতে নানজিংয়ে আসার পর মনে হয়েছিল সে যেন এক অদ্ভুত সময়যাত্রা। সামনে আকাশছোঁয়া কাঁচের দালান, পিছনে কয়েকশ বছরের মন্দির। সকালে ধূপ জ্বলে বলেছে যে এখানে ইতিহাস চালু রয়েছে। চীনের সংস্কৃতি নিখুঁতভাবে আধুনিকতা ও প্রাচীনত্বের সমন্বয় করেছে।

ইউনেস্কো তালিকায় যুক্ত স্থানগুলো

২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে চীন আরও চারটি স্থান ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় যুক্ত করেছে। তার মধ্যে রয়েছে বেইজিং সেন্ট্রাল অ্যাক্সিস, জিংমাই পর্বতের প্রাচীন চা বন, শিয়া রাজবংশের সমাধি, ছুয়ানজৌ প্রাচীন সমুদ্রবাণিজ্য কেন্দ্র। এখন চীনে ৬০ টি বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান রয়েছে, যার প্রতিটি একটি জীবন্ত ইতিহাসের সাক্ষী। রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার আওতায় এই ঐতিহ্য সুসংহত তদারকির মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

৬৫টি জাতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক উদ্যান এবং ২০০টির বেশি সংস্কৃতি কেন্দ্রিক পর্যটন রুট তৈরি করা হয়েছে। চীন কেবল ঐতিহ্য সংরক্ষণ করছে না, এটি একটি জাতীয় কৌশলের অংশ।

ফরবিডেন সিটির স্মৃতি

ফরবিডেন সিটিতে প্রতিটি লাল দরজা, সোনালি ছাদের কারুকার্য যেন গল্পের অংশ। সেখানে ঢুকলে সময় থমকে যেন গেছে। ১৮০ একর জুড়ে ছড়ানো প্রাসাদ নগরী মনে করিয়ে দেয় পাঁচশো বছর ধরে সম্রাট রাজত্ব করেছে।

“তুমি জানো, এই প্রাসাদের প্রতিটি ইটের নিচে একটি গল্প চাপা আছে।”

এই কথাগুলো বেইজিংয়ের এক দাদু বলেছিলেন আমার পাশে দাঁড়িয়ে। তার সবটি মিলিয়ে দেখা যায় যে সময় ও কবিতার সীমারেখা মুছে গেছে।

শিয়ান ও মৃত্যুর পর সেনাবাহিনী

১৯৭৪ সালে এক কৃষক কুয়া খুঁড়তে গিয়ে বিশাল মাটির সৈন্যবাহিনী আবিষ্কার করেছিলেন। এটি বিংশ শতাব্দীর গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ঘটনা। সেখানে প্রতিটি সৈন্য, ঘোড়া, রথ একেকটি নিজস্ব মুখভঙ্গি ও বর্মের নকশা সহ আছে।

সম্রাট ছিন শি হুয়াং মৃত্যুর পর নিজের সাম্রাজ্য সুরক্ষার জন্য সারিবদ্ধ মাটির সেনাবাহিনী তৈরি করেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন মৃত্যুর পর মানুষের জীবন থাকে। তাই সেখানে নিজের রাজ্য অমুক্ত রাখার জন্য তিনি এই বিশাল সৈন্যবাহিনী তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন।

হাংঝো ও ঝাংজ