Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ছাত্রবিক্ষোভ ঠেকাতে ভারতীয় পুলিশ যাচ্ছে বাড়ি বাড়ি, নিয়েছে নতুন আরও কৌশল

Published July 23, 2026 · Updated July 23, 2026 · By Charles Thomas - todaybangladeshnews.com

Foto : Charles Thomas - todaybangladeshnews.com

Todaybangladeshnews.com – ছ ত রব ক ষ ভ ঠ - ```html

মুম্বাইয়ে ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের নতুন কৌশল

দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানাতে মুম্বাইয়ে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, তা দমনে পুলিশ এখন ভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের সরাসরি ফোন করা, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে লাইভ লোকেশন শেয়ার করতে বলা এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে সতর্ক করা—এই পদক্ষেপগুলো নতুনভাবে চালু করা হয়েছে। লক্ষ্য হলো দিল্লির মতো আন্দোলন পুনরাবৃত্তি না হওয়া।

ডিজিটাল নজরদারি ও আইনি ব্যবস্থা

শিবাজি পার্ক, চেম্বুর এবং আজাদ ময়দানসহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ চলার পর স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে আগেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বা আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তাদের অনেকেই স্থানীয় থানা থেকে ফোনকল ও বার্তা পেয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত স্ক্রিনশট থেকে জানা যায়, থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কিছু বিক্ষোভকারীকে বাড়িতে থাকতে এবং নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপে লাইভ লোকেশন শেয়ার করতে নির্দেশ দিয়েছেন।

এছাড়াও ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ৩৫(৩) ধারার আওতায় মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে আইনি নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। এই নোটিশের মাধ্যমে আগের বিক্ষোভের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় হাজির হতে বলা হচ্ছে।

বাড়ি বাড়ি পুলিশ ও স্টেশন নিয়ন্ত্রণ

ডিজিটাল নজরদারির পাশাপাশি মুম্বাইয়ের শহরতলি ও আশপাশের পৌর এলাকায় ইউনিফর্ম পরিহিত পুলিশ সদস্যদের পাঠানো হচ্ছে। তারা পরিবারের সদস্যদের চলমান তদন্তের বিষয়টি জানান এবং ভবিষ্যতে জনসমাবেশে অংশ না নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো ও রেলস্টেশন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে বিক্ষোভস্থলের দিকে যাওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত ও ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগে আটক হওয়া ব্যক্তিদের তথ্য বিভিন্ন থানায় পাঠানো হয়েছে, যাতে সর্বত্র তল্লাশির সময় দ্রুত তাদের শনাক্ত করা যায়।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, এসব পদক্ষেপের উদ্দেশ্য তরুণদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হওয়া থেকে বিরত রাখা। তাদের দাবি, অপরাধের রেকর্ড তৈরি হলে ভবিষ্যতে পাসপোর্ট পাওয়া, উচ্চশিক্ষায় ভর্তি এবং চাকরির ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

আইনজীবীদের আপত্তি

আন্দোলনকারীদের পক্ষে থাকা আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, ইলেকট্রনিক লোকেশন ট্র্যাকিং, মেসেজিং গ্রুপ পর্যবেক্ষণ এবং বাড়িতে পুলিশ পাঠানোর মতো পদক্ষেপ সাধারণ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার সীমা অতিক্রম করেছে। তাদের মতে, এসব উদ্যোগ ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং সংবিধানস্বীকৃত চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে গুরুতর আইনি প্রশ্ন তৈরি করছে।

দিল্লিতে সিজেপি নেতৃত্বাধীন শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানাতে গত কয়েকদিন ধরে মুম্বাইয়ে বিক্ষোভ চলছে। বুধবার টানা তৃতীয় দিনের মতো বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষার্থী ও অধিকারকর্মীরা পরীক্ষার অনিয়মের অভিযোগ এবং দিল্লিতে সিজেপি সমর্থকদের ওপর পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারও দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান সিজেপি সমর্থকরা। তারা ২০২৬ সালের নিট-ইউজি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার অনিয়মের অভিযোগের জবাবদিহি, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেন।

```