Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

জোয়ারের পানিতে ভাসছে মনপুরার কলোনি, টিনের চালে আশ্রয় বাসিন্দাদের!

Published July 18, 2026 · Updated July 21, 2026 · By James Miller - todaybangladeshnews.com

Foto : James Miller - todaybangladeshnews.com

মনপুরার কলোনি জোয়ারের পানির মধ্যে ডুবে গেছে, টিনের চালে আশ্রয় বাসিন্দাদের!

Todaybangladeshnews.com – জ য র র প ন ত - জোয়ারের পানি চাপে মনপুরার কলোনি এখন নিকট ভাসছে। ভোলার মনপুরা উপজেলার ষাট কলোনিতে শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে স্থানীয় কলোনির ভেতরে তাপ প্রবেশ করে এবং বেড়িবাঁধ ভেঙে দিন-রাত জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে। এতে কলোনির বেশিরভাগ বসতঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছেন বাড়ির টিনের চালে দুর্ভোগে পড়ে। বিপর্যস্ত মানুষ বৃদ্ধ, শিশু ও গৃহিণীদের কষ্ট করছে পানির কারণে খাবার ও পানীয় জলের সংকট হচ্ছে প্রতিদিন।

জোয়ারের পানি সৃষ্ট ধ্বংস ও দুর্ভোগ

জোয়ারের পানির অবিনাশ বিপর্যস্ত হওয়া কলোনির নিরাপদ জায়গা বিপর্যস্ত হয়েছে। বাসিন্দারা আশ্রয় খুঁজছেন পুড়িয়ে গেল বাড়ি ছেড়ে। সমুদ্র উত্তাল মুখে জোয়ারের পানি গৃহিণী, শিশু ও বৃদ্ধদের পরিবার নিয়ে নিরাপদ জায়গায় ছুটছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের বাসস্থান দিন-রাত জোয়ারের পানির মধ্যে রয়েছে। সেই কারণে দুর্ভোগের চিত্র আঁকছে জোয়ারের পানি। ভিডিওতে দেখা যায় নিরাপদ পথ নেই শুধুমাত্র পানি।

জোয়ারের পানি ঘটনা নিয়ে বিশ্লেষণ

মনপুরা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পূর্বপাশে ষাট কলোনির বাসিন্দারা বুক পরিমাণ পানি ভাসছে। জোয়ারের পানি ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা পরিবার সদস্যদের নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন। এই অবস্থা রামনেওয়াজ লঞ্চঘাট, তুলাতলী ও বিচ্ছিন্ন চরকতালীর বাসিন্দাদের জীবনে ছড়িয়েছে। বর্তমানে জোয়ারের পানি চাপে স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রতিটি কার্যক্রম বিপন্ন হয়েছে। জোয়ারের পানি এখন কলোনির প্রতি মাসে ১৫ দিন আক্রমণ করছে।

জোয়ারের পানির কারণে বাসিন্দারা বিপন্ন হয়েছেন। স্থানীয় কয়েক বছর ধরে জোয়ারের পানি আক্রমণ করছে এবং বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকে অভিযোগ করেন যে পাউবোর নতুন বেড়িবাঁধের ঠিকাদার পুরোনো বেড়িবাঁধটি কেটে দেওয়ায় এ অবস্থা ঘটেছে। সম্প্রতি জোয়ারের পানি দ্বারা গৃহ ও প্রাকৃতিক দৃশ্য পুড়িয়ে দিয়েছে। এ কারণে বাসিন্দারা কোনও আশ্রয় বাড়ি থেকে অপসারণ করতে হয়েছে।

জোয়ারের পানি ঘটনার পর স্থানীয় মানুষ কোনও প্রতিক্রিয়া না দেখায় ভোলা পৌরসভার পক্ষে ত্রাণ কার্যক্রম বাড়ছে। কিন্তু বেড়িবাঁধের পরিস্থিতি নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। প্রতিটি জোয়ারের পানি বাড়ি ছাড়িয়ে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকোশলী মো. আসাফউদ্দৌলা জানান যে জোয়ারের পানি বিপ্রাপ