টানা আট রাত ইরানে মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি তেহরানের
ট ন আট র ত ইর ন – মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। সাত দিন ধরে ইরানে মার্কিন সৈন্যদের সামরিক ক্রিয়া চালানো হচ্ছে। এতে দেশটির দারখোভিন অঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ কয়েকটি স্থাপনা লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত হয়েছে।
ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলার দাবি কুয়েতসহ বিভিন্ন এলাকার মার্কিন সামরিক স্থাপনার প্রতি সম্পাদিত হয়েছে। ইরান আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) কে বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানায়।
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘরিবাবাদি ঘোষণা করেছেন যে মার্কিন হামলার পর দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক স্থগিত করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন যে ওয়াশিংটন সমঝোতার শর্ত লঙ্ঘন করেছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। বিশেষত, হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জাহাজ চলাচলের বিরোধ কারণে নতুন করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়েছে।
তেহরান জানিয়েছে যে হরমুজ প্রণালিতে চারটি জাহাজকে সতর্ক করার জন্য ইরানি বাহিনী প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের দাবি বলেছে যে সতর্কবার্তার পর দুটি জাহাজ ফিরে গেলেও বাকি দুটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
সামরিক ক্রিয়া অব্যাহত রাখলে তেহরানের কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহি জানিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা প্রতিক্রিয়া হবে আরও কঠোর এবং বিপর্যয়কর।
অন্যদিকে জর্ডান জানিয়েছে যে তারা ইরানের কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। সাথে কুয়েত সরকার ঘোষণা করেছে যে দেশটির একটি পানি পরিশোধনাগারও হামলার শিকার হয়েছে।
আন্তর্জাতিক পরিদর্শন শুরু হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার জন্য এই অভিযান চালানো হয়েছে। সামরিক ক্রিয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থা এ হামলাকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন ঘোষণা করেছে।
পার্লামেন্টের আহ্বান
সাথে সাথে পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দেশের জনগণের প্রতি ঐক্যবদ্ধ থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানায়। অন্যদিকে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কার মধ্যে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজ গ্রহণ
