Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

নাইজারের প্রধান বিমানবন্দরে হামলা, সেনাসদস্যসহ নিহত ৩৫

Published June 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Patricia Martinez - todaybangladeshnews.com

Foto : Patricia Martinez - todaybangladeshnews.com

নাইজারের প্রধান বিমানবন্দরে হামলা, সেনাসদস্যসহ নিহত ৩৫

Todaybangladeshnews.com – ন ইজ র র প রধ ন - নাইজারের প্রধান বিমানবন্দর ডিওরি হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে সশস্ত্র হামলা ঘটে, যাতে কমপক্ষে ৩৫ জন মানুষ মৃত হয়। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায় যে, নিহতদের মধ্যে ২২ জন হামলাকারী, ১১ জন সেনাসদস্য এবং ২ জন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন। এই হামলার সময় বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় প্রতিরক্ষা বাহিনী ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে এবং পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের কাজ অব্যাহত রয়েছে।

হামলার সময় ও ক্রমবর্ধমান সংঘর্ষ

নাইজারের প্রধান বিমানবন্দরে হামলার সময় দেখা গেছে ক্ষণিক বিস্ফোরণ এবং গুলির শব্দ। হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নাইজারের বৃহত্তম স্থান হিসেবে পরিচিত, যেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিও অবস্থিত। ফজরের নামাজের পরপর সেখানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক মাধ্যমগুলোতে তথ্য প্রকাশের পর এই বিমানবন্দরটি স্থানীয় অধিকারীদের ত্রুটিগুলি সংশোধন করার জন্য একটি উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়।

“সকাল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে নামাজ শেষ করার কিছুক্ষণ পর আমি একটি বড় বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই,” বলে একজন বাসিন্দা জানায়। তিনি আরও বলেন যে, হামলার পর বিমানবন্দরের মূল ভবনে চারপাশে ভীষণ কুটনীতি ও ধ্বংস ঘটেছে।

হামলার দায় গ্রহণ করেছে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট সংগঠন

হামলার দায় স্বীকার করেছে আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট জঙ্গি সংগঠন জামাত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন (জেএনআইএম)। সাম্প্রতিক ঘটনার পর এই সংগঠন এক বিবৃতিতে হামলার দায় গ্রহণের দাবি করেছে। প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপত্র অনুযায়ী, হামলাকারীরা বিমানবন্দরে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কেন্দ্র ধ্বংস করার লক্ষ্য স্থাপন করেছিল। সামরিক সূত্রে জানা গেছে যে, হামলার কারণ হতে পারে নাইজারের সামরিক অপারেশন বা বিদেশী সহায়তা চাওয়া।

বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং হামলার সাথে জড়িত পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নাইজার বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠীর সহিংসতার মুখোমুখি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে। সেনার বর্তমান বিমানবন্দর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান সংরক্ষণের জন্য আরও দৃঢ় প্রতিরক্ষা ব্যবস্হার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিক্রিয়া ও গুরুতর চিন্তা

হামলার পর নাইজারের প্রধান বিমানবন্দর ও সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে প্রতিরক্ষা বাহিনী ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে। সেনা হামলার মূল ঘটনার জায়গায় চারপাশে তৈরি করা হয়েছে স্থায়ী বাধা এবং প্রতিরক্ষা তৈরি করার জন্য সামরিক বাহিনীকে কমপক্ষে একটি দিনের মধ্যে স্থানীয় সময়ে সংকট বাড়িয়েছে। প্রতিরক্ষা বাহিনী এই হামলার পর জাম