Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

নাকের নিচের তিলেই ফাঁস ৪৫ বছরের ছদ্মবেশ

Published July 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Susan Taylor - todaybangladeshnews.com

Foto : Susan Taylor - todaybangladeshnews.com

নাকের নিচে ছদ্মবেশ ভেঙে ফেলা হয়েছিল জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার একজন আসামি কর্মকর্তাকে

Todaybangladeshnews.com – ন ক র ন চ র ত - বাংলাদেশের ঐতিহাসিক হত্যা মামলায় নিজের অবস্থান গোপন রাখার জন্য পুরোনো ছদ্মবেশের নাকের নিচে কী ছিল যে ছদ্মবেশ ভেঙে দিয়েছিল মোজাফফর হোসেনকে? বর্তমানে বিশেষজ্ঞদের মতে, মোজাফফর হোসেন সাড়ে ৪৫ বছর ধরে নাম, পরিচয়, চেহারা এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করে ছিলেন। তার নিজস্ব মুখে দেওয়া পরিচয় ও জন্মচিহ্নের সাহায্যে বাহিনী থেকে সম্পূর্ণ ছিলেন। এই অবস্থা ছাড়া তার অবস্থান নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব ছিল না। এই কী ছদ্মবেশ নাকের নিচে কী কারণে তৈরি হয়েছিল এবং কীভাবে তা অবিলম্বে ভেঙে দেয়া হয়েছিল সে বিষয়ে তদন্তে নতুন তথ্য আবিষ্কৃত হয়েছে।

নাকের নিচে ছদ্মবেশ কীভাবে বিস্মিত করেছিল

তদন্ত বিষয়ক অনুসন্ধানের ফলে জানা গেছে যে, মোজাফফর হোসেন তার জন্ম সম্পর্কে অনেক ধাপে মিথ্যা তথ্য প্রমাণ করেছিলেন। তার নাম বদল করা, আত্মীয়স্বজনদের সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, এবং পূর্বের সম্পর্কে নতুন প্রতিষ্ঠা করা সে কর্মকর্তার সাড়ে ৪৫ বছরের মহিমা রক্ষা করার জন্য একটি সফল পরিকল্পনা ছিল। এটি তাকে কোনো জনপ্রিয় চিহ্ন ছাড়া সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশে যেতে দিয়েছিল।

অবিশ্বাস করা সম্ভব ছিল না যে, এই ছদ্মবেশ কোনো দুর্ঘটনার ফলে তৈরি হয়েছিল। বরং তা সংগঠনের ভেতরে বিশেষ ভাবে পরিকল্পিত ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে পৃথক হয়ে তিনি নাকের নিচে ছদ্মবেশ চালানো হয়েছিল। সেই সময়ে তার পরিচয় ও প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ হয়নি। এই ছদ্মবেশ তার জীবনে সাড়ে ৪৫ বছর ধরে পরিচিতি রক্ষা করেছিল।

ঘুরে ফিরে বাংলাদেশে নিজেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশিয়ে দেয়া হয়েছিল

আসামি মোজাফফর হোসেন তার জন্ম সম্পর্কে সংগৃহীত তথ্য ও প্রতিষ্ঠানের সংস্থানে অনেক পরিবর্তন করেছিলেন। তার নাম পরিবর্তন করে নতুন সংস্থানে যুক্ত হওয়া হয়েছিল। একটি সাধারণ মানুষ হিসেবে তিনি নিজেকে স্থাপন করেছিলেন। বিশেষ করে তার বর্তমান পরিচয় ও আত্মীয়দের সম্পর্কে একটি বিশেষ পরিবর্তন ছিল। এই প্রক্রিয়া ছিল তার পরিচয় গোপন রাখার প্রধান উপায়।

পুনরায় পরিচয় দেয়ার জন্য তিনি অনেক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করেছিলেন। আত্মীয়স্বজনদের জন্য নতুন পরিচয় করে দেওয়া হয়েছিল। এই ছদ্মবেশ তার চেহারা এবং প্রতিষ্ঠানের সাথে একটি পুরো বদলে দেয়া হয়েছিল। কিছু স্থানে তিনি অবিশ্বাস করা হয়েছিল। তবে নাকের নিচে ছদ্মবেশ কোনোভাবে বিস্মিত করতে পারেনি। সাড়ে ৪৫ বছর ধরে তিনি ছদ্মবেশ চালিয়ে গেছেন।

জিয়াউর রহমান