পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের যে গল্পগুলো অনেকেই জানেন না
প চব র র ব শ বচ – ব্রাজিল সবার কাছে চিন্তা করা হয়। হলুদ জার্সির বুকে পাঁচটা তারা আর সেই স্টার তারকাদের নাম, আরোনাল্ডো আর নেইমারকে অনেকে জানে না। তারপরও এই বিখ্যাত দেশের পেছনে এমন এক গল্প আছে, যা কেউ সে দিন ভুলে গেছে।
মারাকানাজো দিনটি
১৯৫০ সালে রিও ডি জেনেরোতে মারাকানা স্টেডিয়ামে সাদা জার্সি পরে নেমেছিল ব্রাজিল। কারণ তখন তাদের রং ছিল সাদা-নীল। সেদিন উরুগুয়ের বিপক্ষে ড্র করলেই শিরোপা হারিয়ে ছিল ব্রাজিল, তবে ছেলেটা নিয়ে শেষ দিনের আগে সেই বিজয়ের স্মৃতি তৈরি হয়েছিল।
পুরো দেশ ধরে নিয়েছিল কাপ জেতা হয়ে গেছে, পরদিনের পত্রিকা ছাপা হয়েছিল ‘ব্রাজিল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’।
তারপর দুই লাখ মানুষের সামনে ব্রাজিল এগিয়ে গেল একটি গোলে, গ্যালারি ফেটে পড়ল। কিন্তু উরুগুয়ের শিয়াফিনোর গোলে সমতা, শেষ দিকে গিগিয়ার সেই গোল মারাকানার দুই লাখ মানুষকে বোবা করে দিল। স্টেডিয়াম নীরব হয়ে গেল যেন মাঠে নিঃশ্বাসও শোনা যাচ্ছিল। সেই দিনটি হলো ‘মারাকানাজো’।
আলদির গার্সিয়া শ্লে এবং হলুদ জার্সি
তিন বছর পর এক পত্রিকা নতুন জার্সির প্রতিযোগিতা ডাকল, যেখানে তাদের পতাকার চারটি রং থাকবে। জিতলেন উনিশ বছরের এক তরুণ ডিজাইনার, ‘আলদির গার্সিয়া শ্লে’। তার আঁকা হলুদ জার্সি, সবুজ পাইপিং আর নীল হাফপ্যান্ট ছিল।
মারাকানায় সেদিন ২-১ গোলে শুধু একটা ম্যাচ হারেনি ব্রাজিল, হারিয়েছিল একটা দেশের আত্মবিশ্বাস।
দুনিয়া তাকে চিনবে পেলে নামে। যে বাকি ছিল রূপকথা। কিন্তু দেশটি তার জার্সি ছিল সাদা সংস্কারের জন্য।
১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপ
১৯৫৮ সালে সুইডেনে ব্রাজিল ছিল ছেলে তিনটি। ঘাড়ের ওপর মারাকানার ভূত ছিল। সেই দলে ছিল সতেরো বছরের এক রোগা ছেলে, যাকে কোচরা প্রথমে খেলাতেই চাননি বলে ভেবেছিলেন বয়স বড্ড কম। ছেলেটার নাম এদসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো।
ব্রাজিল হারল ৩-২ গোলে। মজার কথা, এই �
