Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পুকুরে গোসলে নেমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মৃত্যু

Published June 11, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Lisa Hernandez - todaybangladeshnews.com

Foto : Lisa Hernandez - todaybangladeshnews.com

বরগুনা সদর উপজেলার ঘটনা: মা-ছেলে পুকুরে গোসলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু

Todaybangladeshnews.com – প ক র গ সল ন ম - পুকুরে গোসলে নেমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মৃত্যু ঘটেছে বরগুনার সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের রায়ভোগ গ্রামে। এ ঘটনার প্রতিবেদন পেয়ে বুধবার (১০ জুন) দুপুর সময় ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। নিহত দুই জন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন নুপুর বেগম (৩০) ও তার দুই বছর বয়সী ছেলে শাহাদাত। এ ঘটনার মূল কারণ হিসেবে পল্লী বিদ্যুতের তার ভাঙুন ও অপরিচ্ছন্ন পানি তোলে সাধারণ জনগণের চোখে দুর্গন্ন স্থানটি অবিচ্ছেদ্য হয়ে ছিল। তাই নুপুর বেগম তার ছেলেকে পুকুরে নামার সিদ্ধান্ত নেন।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট পানির প্রকৃত কারণ

রিপোর্ট অনুযায়ী, কয়েকদিনব্যাপী বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় পল্লী বিদ্যুতের তার ভাঙুন হয়ে পাশের পুকুরে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে এটি নজরে পড়েনি কারণ তারা সাধারণত পুকুর পানি কুপুকুরে গোসলে নেমে পানির পরিচ্ছন্নতা পরিচয় করে নেন। কিন্তু বৃষ্টির পর পানিতে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হওয়ায় কারও ধ্যানে না পড়ে রায়ভোগ গ্রামের স্থানীয়রা তা আবিষ্কার করেন। এ সময় মা-ছেলে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য পানিতে ভিজিয়ে বসে আছেন বলে স্থানীয়দের কাছে সংবাদ পৌঁছায়। তারা মাত্র চার হাজার বাসিন্দা থাকলেও সমস্ত গ্রাম দুঃখে ভরে ওঠে।

পুকুরে গোসলে নেমে দুই জন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনার সংবাদ পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধারের জন্য প্রতিক্রিয়া দেন। নুপুর বেগম ও শাহাদাত পুকুরে নামার সাথে সাথে সামনে যেতে বাধা হয়। বিদ্যুৎ ও পানির কম্পন তাদের প্রাণ ধ্বংস করে। ঘটনার পর পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস প্রতিবেদন করেন ও দুই জনকে ঘটনাস্থলে হাজির করে। মৃতদের শব বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসক তাদের মৃত্যু ঘোষণা করেন।

গ্রাম ও স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

পুকুরে গোসলে নেমে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মৃত্যু ঘটার পর সম্পূর্ণ গ্রাম এ ঘটনার প্রতি গভীর দুঃখ প্রকাশ করে। কয়েকটি পরিবার ঘটনার কারণে কাছাকাছি স্থানে আতঙ্কে ভরে ওঠে। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ন করে চলেছে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রক্রিয়া চালু করেছে। মৃত ব্যক্তিদের পরিবার ময়নাতদন্ত ছাড়া দাফনের অনুমতি দিয়েছে। এ ঘটনার প্রতি স্থানীয়দের ধারণা অনুযায়ী পল্লী বিদ্যুতের সুরক্ষা ব্যবস্থার অভাব হলো প্রধান কারণ।

পুকুরে গোসলে নেমে মা-ছেলের মৃত্যু ঘটার ঘটনার পর বাসিন্দারা বিদ্যুৎ সুরক্ষা ব্যবস্থা বৃদ্ধির দরকার বোধ করে। বরগুনা সদর উপজেলার স্থানীয় আবেদন করে বিদ্যুতের তার ভাঙুন কম পরিমাণে প্রতি মাস নতুন পরিকল্পনা চালু করা হয়। কিন্তু ঘটনাস্থলে তারা পুনরায় পরীক্ষা করেন এবং দুর্ঘটনার আবরণ গোপন করতে চাই। স্থানীয় আবেদন করে কার ভুল হলো তা খুঁজে বার করা হবে।

পুকুর