বল থেকে রেফারি: ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রযুক্তি যেভাবে বদলে দিচ্ছে সবকিছু
বল থ ক র ফ র – ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে রেফারি এবং খেলোয়াড়দের কাছে আসা প্রযুক্তি সম্পূর্ণ মাঠের সিদ্ধান্ত নিয়ে বদলে দিবে। এ বিষয়ে একটি প্রতিক্রিয়া ছিল ২০২২ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া বনাম বেলজিয়াম ম্যাচে। রেফারি ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে পেনাল্টি দিলেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি বাতিল করে। এই সিদ্ধান্তে খেলোয়াড়দের বিরোধিতা হয়েছিল, কিন্তু মেশিন তার নিষ্পত্তি পরিবর্তন করেনি।
প্রযুক্তি নতুন করে মাঠে নামছে অফসাইডের বিষয়ে সঠিক চিত্রণ
ট্রাইওন্ডার বল তৈরি হয়েছে পাকিস্তানের শিয়ালকোটে। এই বলে অ্যাডিডাসের Connected Ball Technology ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে একটি AI-চালিত চিপ ম্যাচ চলাকালীন রিয়েল-টাইম ডেটা সংগ্রহ করে। প্রতি দুই মিলিসেকেন্ডে প্রতি সেকেন্ডে ৫০০টি ডেটা পয়েন্ট পাঠানো হয়, যা মানুষের চোখের পলক পড়তে যত সময় লাগে তার মধ্যে প্রায় ২৫০টি মাপজোক গ্রহণ করে। এই প্রযুক্তি এখন আর নিছক গোলাকার বস্তু নয়, সেটি একটি সাক্ষী হয়ে উঠেছে।
কেউ বলল, এটা ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ অফসাইড সিদ্ধান্ত। কেউ বলল, প্রযুক্তি ফুটবলকে হাস্যকর করে তুলছে।
ট্রাইওন্ডার বলে ছোঁয়ার মুহূর্ত একেবারে সঠিকভাবে পরিমাপ করা যাবে। আগে ক্যামেরা সিস্টেম খেলোয়াড়দের অবস্থান ট্র্যাক করতে পারত, কিন্তু বল ছোঁয়ার সঠিক সময় নির্ধারণ ছিল কঠিন। এবারে আর সেটি আকার নিয়ে গেছে। বলটি বিশেষভাবে তৈরি স্তরে প্যানেলের ভেতরে রয়েছে। ভারসাম্য রাখতে অপর তিনটি প্যানেলে কাউন্টারব্যালেন্সিং ওজন রাখা হয়েছে। প্রায় ১০ মিলিয়ন ট্রাইওন্ডা বল প্রস্তুত করেছে পাকিস্তানভিত্তিক ফরওয়ার্ড গ্রুপ। এই বলগুলো অ্যাডিডাসের সাথে চুক্তি করে তৈরি করা হয়েছে।
খেলোয়াড়দের নিয়ে প্রযুক্তি প্রবেশ করছে
২০২৬ বিশ্বকাপে প্রতিটি খেলোয়াড়কে ডিজিটালি স্ক্যান করা হবে। প্রতিটি স্ক্যান থেকে তৈরি হবে সুনির্দিষ্ট থ্রি-ডি মডেল। প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন হবে এই প্রক্রিয়া। মেসির কাঁধের প্রস্থ থেকে ভিনিসিয়াসের পায়ের আঙুলের অবস্থান পর্যন্ত সবকিছু ডিজিটাল মডেলে গৃহীত হবে। এই প্রযুক্তি কাতারের দোহায় ২০২৫ সালে পরীক্ষা করা হয়েছে। সেখানে সফল হওয়ার পর এবার মূল বিশ্বকাপে �
