Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বাংলাদেশে পাকিস্তানের জেএফ-১৭ পদক্ষেপ, আকাশশক্তির নতুন সমীকরণ

Published May 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By James Miller - todaybangladeshnews.com

Foto : James Miller - todaybangladeshnews.com

বাংলাদেশে পাকিস্তানের জেএফ-১৭ পদক্ষেপ, আকাশশক্তির নতুন সমীকরণ

Todaybangladeshnews.com – ব ল দ শ প ক স - পাকিস্তান বিমানবাহিনী কর্তৃক বাংলাদেশে স্থাপিত জেএফ-১৭ থান্ডার ব্লক-৩ যুদ্ধবিমানের সিমুলেটরের হস্তান্তর দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি কেবল দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয় নয়; বরং পুরো দক্ষিণ এশিয়া ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের কৌশলগত নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই সিমুলেটর বিতরণ বাংলাদেশকে বাস্তব প্রশিক্ষণে প্রস্তুত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কোনো দেশ সাধারণত সামরিক যুদ্ধবিমান ক্রয়ের আগে কৌশলগত প্রস্তুতি পর্যায়ে পৌঁছতে পারে না। পাকিস্তান বাংলাদেশের জেএফ-১৭ ব্লক-৩ সিমুলেটর যোগান দিয়েছে বলে বিশ্লেষকদের মতে এটি ক্রয় চুক্তির প্রস্তুতির প্রমাণ হতে পারে।

২০২৬ সালের মে মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত পাকিস্তান-বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম আনুষ্ঠানিক এয়ার স্টাফ বৈঠকে পাকিস্তানি প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে অপারেশনাল ডেপুটি চিফ অব এয়ার স্টাফ এয়ার ভাইস মার্শাল আওরঙ্গজেব আহমেদ ছিলেন। তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীর স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের কমান্ডার এবং ডিজি পিআর পদে কর্মরত। বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন আরও কয়েকজন প্রতিনিধি, যাদের মধ্যে এয়ার কমোডর শাহ খালিদ, আবদুল গফুর বাজদুর, গ্রুপ ক্যাপ্টেন মাহমুদ আলী খান এবং উইং কমান্ডার হাসান তারিক আজিজ ছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিনিধি দলের গঠন থেকে বুঝা যায় যে সফরটির লক্ষ্য ছিল কৌশলগত ও অপারেশনাল সমন্বয় প্রসাধন করা। বৈঠকে পাকিস্তানি পক্ষ দ্বারা জেএফ-১৭ ব্লক-৩ যুদ্ধবিমানের বহুমুখী ক্ষমতা ও ফরাসি রাফাল বিমানের সাথে তুলনা করে বিস্তারিত বিষয়গুলো আলোচনার মধ্যে আসে। প্রাথমিক প্রশিক্ষণের চেয়ে এই সিমুলেটর প্রশিক্ষণ অবকাঠামো দিয়ে পাইলটদের অপারেশনাল কাঠামো পরিচিতি দেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগাম সিমুলেটর ব্যবহার করে ভবিষ্যতে স্কোয়াড্রন সক্রিয় করতে সময় কম লাগে। রক্ষণাবেক্ষণ কর্মীদের প্রযুক্তিগত কাঠামো সম্পর্কে ধারণা অর্জন করার সুযোগও হয়। তারপর বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ (বিভিআর) যুদ্ধ কৌশল, সুপারসনিক ইন্টারসেপশন, মাল্টিরোল স্ট্রাইক সমন্বয় এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার কৌশল আলোচনায় আসে।

প্রশিক্ষণ প্রস্তাব ও সম্পূর্ণ অপারেশনাল ইকোসিস্টেম তৈরি

এছাড়া অ্যাকটিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যানড অ্যারে (এইএসএ) রাডার পরিচালনা, অ্যাভিওনিকস সিস্টেম, ইঞ্জিন সাপোর্ট এবং �