বাজেট প্রথমবারের মত সৃজনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে
ব জ ট প রথমব র র – বর্তমান বাজেট পরিকল্পনায় সরকার প্রথমবারের মতো সৃজনশীল অর্থনৈতিক প্রচেষ্টা অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই কর্মকাণ্ড তরুণদের মাদক ও উগ্রবাদ থেকে দূরে স্থাপন করতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা মনে করেন এটি দেশের শিল্প, সংস্কৃতি এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং জাতিগঠনের সমৃদ্ধতা ও বেকারত্ব কমাতে সাহায্য করবে।
সৃজনশীল অর্থনৈতিক খাতে বরাদ্দ হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য সৃজনশীল অর্থনৈতিক খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। এটি জনগণের মনোয়োগ আকর্ষণ করে এবং সামাজিক সমস্যার সমাধানে সাহায্য করবে বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে এই ক্ষেত্র দেশের আর্থিক উন্নয়নের নতুন প্রবণতা হিসেবে কাজ করবে।
বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী সৃজনশীল অর্থনৈতিক প্রস্তাব তুলে ধরেন
বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সৃজনশীল অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং এর রূপরেখা সম্পর্কে আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে এই প্রক্রিয়া দেশের পরিস্থিতি সুন্দরভাবে নিরাপদ করবে এবং যুব বিশ্বের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
“সৃজনশীল অর্থনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের শিল্প ও সাংস্কৃতিক মান উন্নীত হবে। এটি বিশেষ ভাবে তরুণদের পরিবেশ সুন্দর করবে এবং গোঁড়া মতবাদ থেকে দূরে স্থাপন করবে।”
আর্থিক পরিকল্পনায় সৃজনশীল অর্থনৈতিক খাতের প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করেছে যে এটি একটি সার্বিক গুরুত্ব নিয়ে আসবে। সরকারের মতে এই প্রচেষ্টা দেশের আর্থিক প্রগতি ও সামাজিক সমৃদ্ধতার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে।
