Todaybangladeshnews
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মন্ত্রী মোশাররফ হোসেনের শেষ জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল

Published May 14, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jessica Johnson - todaybangladeshnews.com

Foto : Jessica Johnson - todaybangladeshnews.com

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেনের শেষ জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল

Todaybangladeshnews.com – ব র ম ক ত য দ - বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আগের মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের শেষ দাফন সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলার মানুষ তার সমাধিতে ঢলে পড়েছেন। তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয় মিরসারাই ধুম ইউনিয়নের মহাজনহাট ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে। সেখানে উপজেলা প্রশাসনের গার্ড অব অনার সম্প্রসারণ করা হয়েছিল। এই সময়ে তার জীবনের শেষ মুহূর্তগুলো নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছিল, যেখানে তার সাবেক সংসদ সদস্য মাহবুব রহমান রুহেল তার সমাধিতে আসেন।

মোশাররফ হোসেনের স্মৃতি সমাজে জাগে

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন কয়েক দিন ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি বুধবার (১৩ মে) সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সেই দিন বিকেল ৫টায় গুলশান আজাদ মসজিদে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার জীবনে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচিতি দেওয়ার পাশাপাশি তিনি চট্টগ্রাম ও মিরসারাই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার সন্তান সাবেক সংসদ সদস্য মাহবুব রহমান রুহেল তার মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য উন্নয়নের বিষয়ে মন্তব্য করেন, যেখানে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার সেবা করা হয়েছিল।

“আজ মিরসারাই বাসীদের জন্য একটি কঠিন দিন। বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে। তিনি চট্টগ্রাম ও মিরসারাই উন্নয়নের জন্য সময়ের পর সময় কাজ করেন। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন,” বলেন তার মেজ ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য মাহবুব রহমান রুহেল।

তার বীর মুক্তিযোদ্ধা যুগের স্মৃতি তিনি সাবেক মন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। মোশাররফ হোসেন কৃতিতে উত্তীর্ণ হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সমাজে জানী হন। তার সমাধিতে গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আখ্যান সম্পন্ন হয়। যার ফলে সর্বস্তরের মানুষ তার সমাধিতে আসেন। এই সময়ে তার জীবনের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবদান সম্পর্কে বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

মোশাররফ হোসেন প্রায় দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুবিধায় ভুগছিলেন। তিনি সেই কারণে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু তার অনুগামীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও প্রতিশ্রুতি কারণে তার সমাধিতে যোগদান করেন। তার সমাধিতে স্থানীয় মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার বিশেষ প্রতিভা সমাজে স্থান পেয়েছিল। এই সময়ে তার স্মৃতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সামনে আসে।