বৃষ্টি ও বন্যায় প্রাণহানি ৫১, পানিবন্দি ৩ লাখ পরিবার
ব ষ ট ও বন য য় – বৃষ্টি ও বন্যা বিপর্যস্ত অঞ্চলগুলোতে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে কারণ টানা বৃষ্টি এবং ঢেলে পড়া জল মানুষের জীবন সংকট তৈরি করেছে। সর্বমোট মৃতের সংখ্যা ৫১ জন পর্যন্ত পৌঁছেছে যেখানে কক্সবাজার জেলার পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঐ জেলায় পাহাড় ধস এবং বন্যার কারণে মৃতের সংখ্যা প্রায় ২৮ জন হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা মুক্তিযোদ্ধা অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এই অবস্থায় আহত হয়েছেন ২৪ জন, যাদের মধ্যে ১৯ জন স্থানীয় এবং ৫ জন রোহিঙ্গা। কক্সবাজারে এখনও ১ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
বন্যার ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর বিস্তার
বন্যাকবলিত সাতটি জেলার মধ্যে বিশেষ ভাবে প্রভাবিত হয়েছে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার। এই দুটি জেলায় বৃষ্টি ও বন্যার সৃষ্টি করা জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে পানিবন্দি অবস্থায় থাকছে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০টি পরিবার। চট্টগ্রামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ জন, যেখানে আহত হয়েছে ১২ জন। বন্যার কারণে জলাবদ্ধতা এবং বিপর্যস্ত অঞ্চলগুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা হারিয়েছে ৫ লাখ ৯৫ হাজার।
কক্সবাজার জেলায় বৃষ্টি ও বন্যার কারণে প্রায় ১০টি উপজেলার ৭০টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা বন্যাকবলিত হয়েছে। এখানে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে ৩৯ হাজার ৫০৬টি পরিবার। বিশেষ ভাবে প্রভাবিত হয়েছে ঐ জেলার মানুষ, যাদের মধ্যে প্রাণহানির হার সবচেয়ে বেশি।
বন্যার চাপ বান্দরবান এবং রাঙামাটির উপর
বন্যার চাপ বান্দরবান এবং রাঙামাটি জেলায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে। বান্দরবানে মৃতের সংখ্যা হয়েছে ৬ জন, যার মধ্যে আহত হয়েছেন ২ জন। ঐ জেলার সাতটি উপজেলার ৩৪টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে ১২ হাজার ৫০০টি পরিবার। রাঙামাটিতে মৃত্যুর সংখ্যা হয়েছে ৩ জন, যাদের মধ্যে ৩ হাজার ৫২৪ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার প্রাকৃতিক বিপর্যস্তি অবস্থায় ঐ অঞ্চলগুলোতে স্থানীয় পরিবারগুলো বাস্তবতা বাড়ি ছাড়া পালিয়েছে।
খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। মৌলভীবাজারে মৃতের সংখ্যা হয়েছে ১ জন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার। এই বৃষ্টি ও বন্যা দুর্ভোগে মোট পানিবন্দি পরিবার সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়া কম হয়েছে।
“বৃষ্টি ও বন্যার দুর্ভোগ থেকে জনগণকে আশ্বস্ত করতে দ্রুত সাহায্য প্রদান করা হচ্ছে।” – জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি
বৃষ্টি ও বন্যা দুর্ভোগের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকার কারণে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন যারা এখন অনেকটা সাহায্য পেয়েছেন। তবে অবশ্যই বৃষ্টি ও বন্যার দ্বারা জল বন্ধ হওয়া অঞ্চলগুলোতে সরাসরি সাহায্য �
