ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে হাম প্রতিরোধে টিকাদান ও গবেষণা সেমিনার
ব র য ক ইউন ভ র – বাংলাদেশে হামের চলমান সংকট বিষয়ে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি এবং গবেষণাভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের দ্বারা। রোববার (১৯ জুলাই) ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অডিটরিয়ামে স্কুল অব লাইফ সায়েন্সেসের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি মাইক্রোবায়োলজি স্টুডেন্ট কাউন্সিল এর যৌথ আয়োজনে ‘দ্য রিসার্জেন্স অব মিজেলস: রিসেন্ট আউটব্রেকস ইন বাংলাদেশ অ্যান্ড দ্য পাথ ফরোয়ার্ড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে হাম সংকট বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতামত
বিশেষজ্ঞদের মতে হাম নিয়ন্ত্রণে উচ্চ টিকাদান কভারেজ নিশ্চিত করা, রোগ শনাক্ত করার প্রক্রিয়া সম্পৃক্ত করা এবং কমিউনিটির সহযোগিতা প্রাপ্ত করা গুরুত্বপূর্ণ। অধ্যাপক ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, টিকার প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি করা দরকার। এছাড়া আক্রান্ত এলাকায় লক্ষ্য ভিত্তিক টিকাদান কার্যক্রম চালানো আবশ্যক।
হাম নিয়ন্ত্রণে উচ্চ টিকাদান কভারেজ নিশ্চিত করা, কার্যকর রোগ নজরদারি, দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্ত করা এবং কমিউনিটির সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া টিকার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যক। আক্রান্তের সংখ্যা বেশি এমন এলাকায় লক্ষ্যভিত্তিক টিকাদান কর্মসূচি চালানো প্রয়োজন।
স্কুল অব লাইফ সায়েন্সেসের শিশু বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ড. আবিদ হোসেন মোল্লা বলেন, দ্রুত রোগ শনাক্ত করা হলে সময়মতো চিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে জটিলতা কমানো এবং শিশুদের জীবন বাচানো সম্ভব। আইসিডিডিআর, বি-এর ইনফেকশাস ডিজিজেস ডিভিশনের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ড. মোস্তাফিজুর রহমান তুলে ধরেন বর্তমান হাম সংকটে গবেষণার প্রয়োজনীয়তা।
বর্তমান হাম পরিস্থিতি বিশ্লেষণে গবেষণার গুরুত্ব বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এ বছর নতুন করে হাম সংক্রামকতা �
